June 27, 2026, 8:12 pm
শিরোনামঃ
অপপ্রচার নাকি তদন্তাধীন অভিযোগ ? জিডির পর মুখ খুললেন বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচিগুলো সফল করি স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলার ডিএসবি অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন গুলশান থানা কর্তৃক ১৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান: বিপুল অর্থ আত্মসাৎও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার দুর্গম পার্বত্য এলাকা থেকে বম সম্প্রদায়ের অসুস্থ নারীকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে উদ্ধার: র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতির মামলার ৫ ভুয়া র‌্যাব সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাতীয় পর্যায়ে ময়মনসিংহের বালক ও বালিকা উভয় দল রানার্সআপ দেশে কৃষকদের আরও প্রণোদনা দিলে খাদ্য উৎপাদন ও রাজস্ব আয় বাড়বে — সাংবাদিক এইচ এম মহিউদ্দিন গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব: সত্য, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া পল্লবীতে ছিনতাইকালে হাতেনাতে এক ছিনতাইকারীকে আটক করল ট্রাফিক পুলিশ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাংবাদিকদের হুমকি

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার – ময়মনসিংহ সদর কোতোয়ালি থানার ডিউটি রুমে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা এবং উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৫) দুপুরে কয়েকজন সাংবাদিক থানার ডিউটি অফিসার রুমে উপস্থিত ছিলেন। এসময়, হঠাৎ শান্ত নামে একজন যুবক বিএনপির কর্মী পরিচয়ে সাংবাদিকদের হুমকি ধমকি দেয়। এই ঘটনাটি ঘটে এমন এক সময়ে, যখন থানার ভিতরে মোঃ তরুন মিয়া (২০) নামে এক যুবককে পুলিশ উদ্ধার করে। তরুন মিয়া ও তার সাথে থাকা ১৩ বছর বয়সী নাবালিকা মল্লিকা রাণী সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা যায়, এবং এই ঘটনা সম্পর্কে কথা বলতে আসেন শান্ত। তবে সাংবাদিকরা ঘটনাটি জানতেন না, তারপরও শান্ত তাদের উপর হামলা ও হুমকি প্রদান করেন।

অথচ, এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিকরা জানান যে তারা কোনও প্রকার উস্কানি বা বিরোধ সৃষ্টি করেননি, কিন্তু শান্ত তাদের প্রতি হুমকি প্রদান করেন, যা থানার ভিতরেও ঘটেছিল। ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন ময়মনসিংহ সদর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছুটিতে ছিলেন এবং থানার ওসি তদন্ত রহস্যজনকভাবে ঘটনাটি এড়িয়ে গেছেন।

এ ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একজন সাংবাদিক জানান, ‘‘থানায় যদি এমন পরিস্থিতি হয়, যেখানে সাংবাদিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?’’ তিনি ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এবং কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং বিষয়টির দ্রুত তদন্ত দাবি করেন।

এছাড়া, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও ইভটিজিং সহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, যদি সাংবাদিকরা থানার ভিতরেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?

এই বিষয়ে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করার জন্য কোতোয়ালি থানার ডিউটি রুমসহ আশেপাশের সকল সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হতে পারে।

এদিকে, বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে এই ঘটনায় দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে, যাতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ ঘটনার পর সাংবাদিকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘দেশের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সমাজে সঠিক সংবাদ প্রচার করা সম্ভব হবে না এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও ক্ষুণ্ন হতে পারে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST