July 22, 2026, 5:34 am
শিরোনামঃ
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরখাস্ত গাজীপুর মহানগর এলাকায় “মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাউজানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশে ফিরে গেলেন আর্জেন্টিনা” সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় অবৈধ হাই ড্রোলিক হর্ন ও হুটারের বিরুদ্ধে ডিএমপি ট্রাফিকের বিশেষ অভিযান হামহাম জলপ্রপাতে হাত ভাঙ্গলেন এক ছাত্র আটকে পড়লেন নয় ছাত্র, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ যমুনায় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, জাতীয় ঐক্যের বার্তা নিয়ে তারেক রহমান দিল্লির নতুন প্রেস মিনিস্টার হলেন সাইদুর রহমান সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

রাজীবপুরে সাইল’র ড্রাম বিতরণে অনিয়ম, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

Reporter Name

 

সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবিঃ
মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সংবাদ পত্রিকা সিনিয়র রিপোর্টার।

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরন মোহাম্মদ ইলিয়াস’র বিরুদ্ধে সাইলর ড্রাম বিতরণ অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী।

সাইলর ড্রাম না পেয়ে রাজীবপুর কাচারীপাড়া গ্রামের আজিজুর রহমানের পুত্র রফিকুল ইসলাম, দুর্নীতি দমন কমিশন রংপুর এবং জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রামকে অনুলিপি দিয়ে রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

জানা গেছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বন্যা কবলিত এলাকায় কৃষি বীজ সংরক্ষণের জন্য রাজীবপুর সদর ইউনিয়নে এক হাজার ৭ শত সাইল’র বরাদ্দ দেওয়া হয়। মূল তালিকার অর্ধেক ব্যক্তিই পায়নি সাইলর ড্রাম।

সাইলর বরাদ্দ হয় সাবেক চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল থাকা অবস্থায়। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে চুড়ান্ত তালিকা পাঠান, যা পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সাবেক ওই চেয়ারম্যান।

সাইলর ড্রাম বিতরণের অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মিরন মোহাম্মদ ইলিয়াসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, গত ২ আগষ্ট চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তার প্রেক্ষিতেই আমি তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্তের রিপোর্টে সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST