কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মোঃশাহজাহান খন্দকার
কুড়িগ্রামের রৌমারি উপজেলায় দীর্ঘদিন থেকে ইয়া বাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল রৌমারীর দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরি ষদ সদস্য জাকির হোসেন (৫০) এর বিরুদ্ধে। ইউপি সদস্য পদের আড়ালে তিনি সীমান্ত পথে মাদক পাচা রের পাশাপাশি মাদক বেচাকেনা করে আসছিলেন।শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রৌমারী থেকে নৌকা রিজার্ভ করে ইয়াবা নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে কুড়িগ্রামে আসছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি)র কাছে সে খবর আগে থেকে ছিল। ফলে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিয়ে ঘাটে পৌঁছার আগেই রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাট ঘাট থেকে ইউপি সদস্য জাকির হোসেনকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। সাথে উদ্ধার হয় ১৯২ পিচ ইয়াবা।
ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন,গ্রেফতার জাকি র হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন গ্রেফতার জাকির হোসেন দাঁতভাঙা ইউনিয় নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। একই ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষা চর কাউয়ারচর (বাঘেরহাট) গ্রামে তার বাড়ি। সীমান্ত পথে মাদক চোরাচালানসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক সরবরাহ ও মাদক চোরাকারবারে তারই সহ যোগীকে গুমসহ হত্যার অভিযোগে মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভারতের আসাম হয়ে রৌমারীর ধর্মপুর (ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত) পথে মাদক চোরাচালানের নতুন রুটের অন্যতম প্রধান মাদক কারবারি ইউপি সদস্য জাকির হোসেন।দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন,জাকির দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার ব্যবসা করে। তার মাদক ব্যবসার কথা এলাকায় অনেকেই জানে। তার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান ও হত্যার অভিযোগে মামলাও রয়েছে।