নিজস্ব প্রতিবেদক,
সাবেক প্রধানমন্ত্রীওবিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে দায়েরকৃত একটি পিটিশন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই), ময়মনসিংহ দীর্ঘ তদন্ত শেষে পিবিআই মামলার প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৭ সালের জুলাই মাসে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সা মনে বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের ব্যানারে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত মানববন্ধনে ফরিদপুরে ভাঙ্গা আওয়ামী লীগের নেতা মাওলানা শহীদুল ইসলামসহ অন্য আসামিরা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে‘অনাথদের টাকা আত্মসাৎ কারী‘পেট্রোল সন্ত্রাস ও আগুন সন্ত্রাসের হোতা’ হিসেবে উল্লেখ করে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন।
পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই ‘সংবাদপত্রে প্রকাশ হয় “এতিমদের টাকা ভক্ষণকারী জামাত-জোট নেত্রী খালেদা কে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাবেক ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম রেজা (৪৫) বাদী হয়ে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ৭৫৪/২০২৩)।
পিবিআই-এর তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ :
আদালতের নির্দেশে পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ পরিদ র্শক মোঃ মোজাম্মেল হক মামলাটির তদন্তভার গ্রহণকরেন তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মামলার প্রধান আসা মি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের নেতা শহীদুল ইসলাম (৫২) বর্তমানে ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রলয় ’পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং ফরিদপুরের আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত।
সাক্ষ্যপ্রমাণ:তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন,খসড়া মানচিত্র তৈরি এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। তদন্তে দেখা গেছে,ঘটনার দিন আওয়ামী লীগের নেতাশহী দুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭০/৮০ জন লোক ওই মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
তদন্তের ফলাফল:প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,তৎকালীনসময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও সংবাদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতা শহীদুল ইসলামের উপস্থিতি এবং মানহানিকর বক্তব্যের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
ময়মনসিংহের পিবিআই তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানিয়ে ছে,রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে এবং সাবেক মান নীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানহানি করার জন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এই কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রচার করেছিলেন। প্রতিবেদনটি পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের আদালত সমন জারি করেছেন।