সুলতানা রাজিয়া (সান্ধ্য কবি)দৈনিক মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সংবাদ পত্রিকা সিনিয়র রিপোর্টার।
শেষ জীবনে অসহায়ত্ব আর সীমাহীন দুর্দশায় চলছে তার জীবন এক প্রকার অসহায় আর মানবেতর জীবন পার করছেন তিনি–ক্ষুদার্ধ বৃদ্ধা বলেন,একটু খাবার দাও বাবা! খুধায় আর বাঁচিনা,মরতে পারলে বাঁচি!আমার কেউ নেই আমার কোন স্থান নাই,
বাড়ি-ঘর কিছু নেই ছেলে স্বামী,থাকার জায়গা কিছু নেই।পথে ঘাটেঘাটে যেখানে সেখানে থাকি বেড়াচ্ছি আশে পাশের মানুষ একটু সাহায্য দেয়,তাই দিয়ে খেয়ে না খেয়ে চলি।শীতের কোন কাপড় নেই শীতে র কারণে বাড়ি থেকে বেরুতে পারি নাই ঘরে খাবার নেই আর।ভোকে শরীর কাঁপিতেছে বাবা! আগের মত আর হাটতেও পারিনা।সরকারি কোন প্রকার ভাতাও হয়নি খুব কষ্ট হচ্ছে।
আত্মীয় স্বজন কেউ নেই আমার।কুড়িগ্রামের উলি পুরের বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের ৪নং দলন মৌজারস্থা নীয় বাসিন্দা মোঃ সামিউল ইসলাম বলেন,এর আগে বৃদ্ধার বসবাস ছিল বাঁধ রাস্তায় লতাপাতা দিয়ে কোন রকম ভাঙ্গা একটি চালা করে ছিল।এখন বাঁধরাস্তা থেকে ঘর সরে দিয়েছে সরকার এখন কোন স্থানে যাবে।কোন ঠিকানা নেই তার বৃদ্ধা খাওয়াবিনে এখন অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে তার খাওয়ার ব্যবস্থা সহ পাশাপাশি সরকারি ভাবে একটি ঘর ও বয়স্ক ভাতা প্রয়োজন যেন শেষ জীবনে ভালভাবে থাকতে পারে।
ক্ষুধার্ত বৃদ্ধা বারবার বলছেন,মরতে পারলে যেন বাঁচি বাবা!এভাবে প্রতিবেদকের কাছে জীবন সংগ্রা মের টিকে খাকার কষ্টের বর্ণনা দিচ্ছিলেন ৬৬ বছরের উর্ধ্বে বয়সী স্বামী হারা নিঃসন্তান গৃহহীন, ভূমিহীন এক অসহায় বৃদ্ধা নাম তার জহরা বেগম,
স্বামী মৃত্যু আহাম্মদ আলী।