সুলানা রাজিয়া সান্ধ্য কবিঃদৈনিক মুক্তিযুদ্ধ সংবাদ পত্র: সিনিয়র রিপোর্টার।
উলিপুনের বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের ফকিরমহম্মদ নিবাসি মোঃ নুরল হক -এর জৈষ্ট পুত্র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।তিনি কুড়িগ্রাম-৩আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম এ মতিন এমপি মহোদ্বয়ের পিএস,
কনিষ্ঠার নিজ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সেবা মূলক কাজ করে আসছেন
তিনি কোন এক বিষয়ের ভিত্তিতে তার
অন্তর গহীন থেকে বলছেন,
সর্বাবস্থায় আলহামদুলিল্লাহ!
যেদিন থেকে আমি জানতে পেরেছি, আমার রিজিক আমি ছাড়া অন্য কেউ ভোগ করতে পারবে না,
সেদিন থেকে আমার হৃদয়ে একটা অদ্ভুত প্রশান্তি তৈরি হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
সেদিন থেকে আমি কাউকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবিনা, কারও ভালো দেখে আমি হতাশ হইনা, হিংসাও করিনা। জীবনে যা যা পাইনি তার কোনটাই আমার রিজিকে ছিল না, বিশ্বাস করেছি এবং সেজন্য আফসোস হয়নি আর কোনদিন।
আমি একটা শান্তির দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সবকিছু আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছি।
নিজের রিজিক নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আমার বা আপনার ভাগেরটুকু কেউ নিতে পারবেনা, এই ক্ষমতা মহান আল্লাহ কাউকে দেননি।
“রিজিকের ফায়সালা আসমানে হয়, জমিনে না”
আর হ্যা! শুধু খাদ্যদ্রব্যই কিন্তু রিজিক নয়! পরিবারের সুখ-শান্তি, পেশাজীবনের সফলতা, নেক জীবনসঙ্গী, নেক সন্তান, উত্তম আখলাক,টাকা পয়সা, নেককার বন্ধুও রিজিকের অন্তর্ভুক্ত।