সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবিঃদৈনিক মুক্তিযুদ্ধ ৭১সংবাদ পত্রিকা:সিনিয়র রিপোর্টার।
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ১১নং হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের শহীদ মিনারে নানা আয়োজনে অমর একুশে ফেব্রয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ মর্যাদায়পালন করা হয়।প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ,ভোরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,পরে আলোচনা সভা শুরু হয়।
হাতিয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সাইখু ল ইসলাম (নয়া)র পরিচালনায়- সভাপতিত্ব করেন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিজানুর রহমান,এ সময় উপস্থিত ছিলেন,শ্রী বাদল চন্দ্র বর্ম্মন সেচ্ছাসেবক,আওয়া মীলীগের সেক্রেটারি মোঃ উমর ফারুখ,২নং ইউপি সদস্য মোঃ আমিনুর ইসলাম,৬নং ইউপি সদস্য -আব্দুর রব রানু আঃ তথ্য গবেষণা সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান,ইউনিয়ন আঃলীগ সাধারণ সম্পাদক- আকন্দ,গ্রাম পুলিশ মোঃ আজাদ,
মোঃ মহুবর রহমান,সেচ্ছাসেবক,শ্রমিকলীগ,সহ আরো অনেকে।
১১নং হাতিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড দাগার কুটি ১৯৭১ সালে পাকসেনারদের বন্ধুক যুদ্ধে ১৩ই নভেম্বর একযোগে ৬৯৭ জন লোক গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর বরণ করেন।তাই হাতিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড দাগার কুটি বদ্ধভুমি হিসাবে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা শহীদ স্মরণে আজ হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জনাব মোঃ সাইখু ল ইসলাম (নয়া)তিনি দুঃখের সাথে ক্ষোপ প্রকাশ করে বলেন,আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের শহীদ মিনারটি দীর্ঘদিন অবহেলিত অবস্থায় ছিল,শহীদ মিনারের সামনে গবরের স্তুুপ করে রাখা হয়েছিল।
পুর্বের দায়িত্বরত চেয়ারম্যানগণ কখনও সংস্কারের কোন উদ্যোগ গ্রহন করেননি। আমি দায়িত্ব পাবার পর থেকে অবহেলিত শহীদমিনার টি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রেখেছি নুতন করে রং কালার করে কোন রকম সাজিয়ে নিয়েছি।
এ বিষয়ে
সরে জামিনে দেখা গেছে বর্তমানে মাতৃভাষা দিবসে এই শহীদ মিনারটি শ্রদ্ধা জানানোর শহীদ মিনারটি সুনন্দিত হওয়া দরকার।মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান -ক্ষোপের সাথে জানান,বিষয়টি খুবই দুঃখ জনক!
আজ আমরা যে ভাষায় কথা বলি সেই ভাষাকে বাংলা করতে যারা শহীদ হয়েছিল আজ তাদের শ্রদ্ধা জানানোর মত, ভাল কোন শহীদ মিনার নেই।
তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি মান সম্মত শহীদ মিনারের দাবী জানান তারা,তিনি আরও বলেন,
আমাদের মুক্তিযোদ্ধা ভাইয়েরা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারবোনা যা খুবই দুঃখ জনক।তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে একটি দৃষ্টি নন্দন শহীদ মিনার নির্মাণের দাবী জানাচ্ছি,
তৎসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন, তিনি যেন আমাদের এই হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদে একটি দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার বানিয়ে দেন।