September 18, 2026, 9:14 pm
শিরোনামঃ
কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলেন আইজিপি সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দলের দুঃসময়ে রাজপথের সক্রিয় কর্মী থেকে নতুন দায়িত্বে ৪০ বছরের ভোগদখলি জমি নিয়ে বিপাকে এক পরিবার কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ লক্কর জক্কর বিচার ব্যাবস্থা আসলে কোনো কাজেই আসছে না বালু কে খুদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ মিনহাজুল ইসলাম সুজনকে ভরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করায় অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন হাফিজুল্লাহ খান
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

৪০ বছরের ভোগদখলি জমি নিয়ে বিপাকে এক পরিবার

Reporter Name

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: কমলনগরে ১৯৯২ সালের দলিলের জমি জমা-খারিজ না করে ১৯৯৬ সালের দলিলের মালিকের নামে ১৭ শতক জমি খারিজ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মিস মামলা খারিজ হওয়ায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ ও নগদ ছয় হাজার টাকা গ্রহণ।

ভুক্তভোগী হাজীবিল্লাল হোসেনের মেজো ছেলেআনো য়ার হোসেনের অভিযোগ,১৯৯২ সালে মোস্তফা খাতু নের কাছ থেকে ৮৮৭৮ ও ৮৮৭৯,৮৮৭৯ দাগে তিন টি দলিল মূলে ১৪৬ শতাংশ জমি কেনেন তার বাবা। ওই জমিতে প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বাড়ি-ঘর করে বসবাস করছেন।

গত ৯ মার্চ ২০২৫ সালে ওই ১৪৬ শতাংশ জমি বাবার নামে জমা-খারিজের আবেদন করেন আনোয়ার কিন্তু তৎকালীন সহকারী কমিশনার ভূমি শামসুদ্দিন মো. রেজা ১৪৬ শতক থেকে ১৭শতক কেটে ১৯৬ সালের দলিলের দাতা হাজী নুর নবীর নামে জমা-খারিজ করে দেন বলে অভিযোগ। ওই খারিজ খতিয়ান নম্বর ৩০৯২।

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আনোয়ার হোসেন গত ৮ সেপ্টেম্বর ১৫৮০ ও ১৬ সেপ্টেম্বর ১৫৮৭ নম্বরে এবং ৩০৯২ ও ২৯৯৮ খতিয়ানের বিরুদ্ধে মিস মামলা দায়ের করেন।
কিন্তু বর্তমান সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন গত ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দুটি মিস মামলাই খারিজ করে দেন।

আনোয়ার হোসেনের অভিযোগ, “সার্ভেয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন আমার কাছে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন এবং নগদ ৬ হাজার টাকা নেন। এরপরই আমার ১৭ শতক জমি জেটা নুর নবীর নামে তদন্ত রিপোর্ট করে দেন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সার্ভেয়ার আব্দুল্লাহ আল মামু ন ঘুষ দাবি ও গ্রহণের কথা অস্বীকার করেন হাজী নুর নবী বলেন, “আমাদের সব কাগজপত্র আছে। দুই পক্ষ বসে সমাধান করা যাবে যদি বিল্লাল হোসেনরা জমি পান দিয়ে দেওয়া হবে।”
সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন বলেন, “সার্ভেয়ার ঘুষ চেয়ে থাকলে লিখিত অভিযোগ দিন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর এসিল্যান্ড আরাফাত হুসাইন তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ‘ভুয়া সাংবাদিক’ লিখে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো এক টাকাও ঘুষ খাননি এবং ৩০৯২ নম্বর খতিয়ানের জমা-খারিজ তিনি দেননি। এবং খতিয়ানটি লাল কালি দিয়ে মুছে পোস্ট করেন। এবং ৯৫০২ দাগে আর জমা-খারিজ হবে না বলেও জানান।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুলেছেন, সংবাদ সংগ্রহের জন্য কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া কি অপরাধ? এবং অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের ছবি তুলে ফেসবুকে দেওয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত? লাল কালি দিয়ে ৩০৯২ জমা খারিজ খতিয়ানে মুছে দেয়া বুঝা যাচ্ছে এ জমা খারিজ বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST