June 10, 2026, 7:39 am
শিরোনামঃ
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৪৪৮ মামলা হালুয়াঘাটে খাল খন কর্মসূচির অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক পটিয়া প্রেস ক্লাবে প্রকাশ্যে সাংবাদিকের ওপর হামলা জেল পলাতক ও একাধিক প্রতারণা মামলার আসামিকে গ্রেফতার করেছে সিটিটিসি ময়মনসিংহে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা ময়মনসিংহ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সাক্ষর নকল করা জালিয়াতি চক্রের সদস্য আটক পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন “বিশ্ব পরিবেশ” দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদযাপন *সাংবাদিকদের যোগ্যতা নিয়ে এমপিদের মাথাব্যথা* নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী সহ মধ্যরাতে আটক বাকেরগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়ক (এন সিপি) দানিসুর রহমান লিমন! চাঞ্চল্যের সৃষ্টি
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নতুন দেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি, বৃথা যেতে দেব না: প্রধান উপদেষ্টা

Reporter Name

প্রথম বাংলা – জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখার সুযোগ পেয়েছি। এ সুযোগ আমরা কোনোক্রমেই বৃথা যেতে দেব না। আজ মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, মানুষের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। দুর্নীতি, লুটপাটতন্ত্র ও গুম-খুনের রাজত্ব চালিয়ে দেশে একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বদরুদ্দীন উমর (রাজনৈতিক কর্মী, ইতিহাসবিদ, লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (উমর) এর নেতা) যেহেতু স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করবেন না, তার পদকটি জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে।

তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে আমাদেরকে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়ার চাইতে জীবদ্দশায় পুরস্কার পেলে যে আনন্দ, দেশের জন্য, পরিবারের জন্য, ব্যক্তির জন্য; তা মরণোত্তর পুরস্কারে পাওয়া যায় না। যাকে আমরা সম্মান দেখাচ্ছি তিনি আমাদের সঙ্গে নেই।

তিনি আরও বলেন, আমরা যেন আগামীতে একটা নিয়ম করতে পারি, যাদের মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়ার তাদের পালা শেষ করে দিয়ে যারা জীবিত অবস্থায় আছেন তাদেরকে যেন পুরস্কার দিই। তাদের প্রতি সম্মানটা আমরা দিই। তারা আমাদের জাতিকে মহান উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। পুরস্কার দিয়ে আমরা শুধু তাদেরকে সম্মানিত করছি না।

আমরা বরং জাতি হিসেবে নিজের সম্মান তাদের মাধ্যমে পাচ্ছি তারা প্রত্যেকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত তারা জাতির জন্য অনেক কিছু দিয়ে গেছেন।তাদের জীবদ্দশায় স্মরণ করতে না পারলে আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবো। যাদেরকে আমরা এই সম্মান দিতে চাই, যথাসময়ে আমরা যেন তা দেই।এ সময় স্বাধীনতা যুদ্ধে সব বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধান উপদেষ্টা।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST