June 8, 2026, 6:03 pm
শিরোনামঃ
পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন “বিশ্ব পরিবেশ” দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদযাপন *সাংবাদিকদের যোগ্যতা নিয়ে এমপিদের মাথাব্যথা* নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী সহ মধ্যরাতে আটক বাকেরগঞ্জ উপজেলা সমন্বয়ক (এন সিপি) দানিসুর রহমান লিমন! চাঞ্চল্যের সৃষ্টি কালিয়াকৈরে বোয়ালী কেন্দ্রীয় মন্দিরে অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠানবিএনপি সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবে উখিয়া থানায় বিজিবির অভিযানে ইয়াবা সহ একজন আটক চকরিয়া-সাব হেডিংঃ স্থানীয় অভিযোগে আশ্রয়দাতা ও প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততা ঘিরে চাঞ্চল্য ঈশ্বরগঞ্জে আসামি না পেয়ে ছাগল বিক্রির টাকা নিয়ে গেলেন এসআই বদলির পরও চট্টগ্রাম ছাড়েননি সার্ভেয়ার আবু ইউসুফ, নেপথ্যে কোটি টাকার সিন্ডিকেট! যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে মাদক এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা : ওসি আল মামুন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন “বিশ্ব পরিবেশ” দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদযাপন

Reporter Name

মোক্তার আহমেদ :

প্রতি বছর ৫ই জুন বিশ্বজুড়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। পরিবেশ ও প্রকৃতির সুরক্ষার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গাছ লাগানোর মাধ্যমে সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলাই হলো এই দিবসটি উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য।এবার বিশ্ব পরিবেশে দিবসের মূলপ্রতিপাদ্য হলো: প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা ”

জলবায়ুর জন্য” আমাদের ভবিষ্যতের জন্য তাই ভবিষ্যতে প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে “পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন “বিশ্ব পরিবেশ” দিবস উপলক্ষে সারাদেশে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদযাপন করছে। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে কেন্দ্রীয় কমিটি কতৃক বৃক্ষ রোপন করেন কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোক্তার আহমেদ।

উক্ত কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন আব্দুস সালাম,সাফকাতউল ইসলাম চৌধুরী, শেখ আলী আব্বাস,ঢাকা উত্তরের উপদেষ্টা দুলাল হাওলাদার ও ভাটারা ও গুলশান থানা কমিটির সদস্যবৃন্দ।
প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্বজুড়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) পালিত হয়। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালে এই দিবসটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে দিবসটি মূল উদ্দেশ্য: বন উজাড়, প্লাস্টিক দূষণ, বায়ুদূষণ, ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মতো বড় বড় পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করা।

মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও পরিবেশ সুরক্ষা, নদী রক্ষা, বন সংরক্ষণ এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি খুবই সীমিত। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন ও লবণাক্ততার মতো বহুমাত্রিক জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি।
পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষায় সরকারের কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশবিদরা।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে মোক্তার আহমেদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি, জনস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং উপকূলীয় জনজীবন মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। অথচ পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ জনগণ দেখতে পাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, দেশের নদী-খাল দখল, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন, জলাভূমি ভরাট এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করে তুলছে। পরিবেশ ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান ।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ জুবায়েরুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় শুধু আন্তর্জাতিক সহায়তার ওপর নির্ভর করলে চলবে না; জাতীয় পর্যায়ে সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর পরিবেশ নীতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ, জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন, দুর্যোগ পূর্বাভাস ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় খাতভিত্তিক প্রস্তুতি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও বিভিন্ন মহল থেকে তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যানরা বলেন, জলবায়ু সংকট কোনো ভবিষ্যৎ সমস্যা নয়; এটি বর্তমান বাস্তবসম্মত সমস্যা । তাই জনগণের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর, স্বচ্ছ এবং বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় আগামী প্রজন্মকে আরও ভয়াবহ পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

পরিবেশ রক্ষায় আমাদের করণীয় হলো বেশি করে গাছ লাগানো এবং গাছ কাটা থেকে বিরত থাকা।প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহার করা।যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।পানি, বিদ্যুৎ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় রোধ করা।পরিবেশ দিবস বা পরিবেশ সুরক্ষা সম্পর্কে আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে জানার আগ্রহ আছে, যেমন: গাছ লাগানোর নিয়ম, প্লাস্টিক দূষণ রোধের উপায়, অথবা শিশুদের পরিবেশ সচেতন করার উপায়? জানালে আমি সে অনুযায়ী তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারব।

আমাদের সংস্থাটি পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন এবং জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তুলে মানবতার সেবায় নিয়োজিত থাকার প্রত্যয়ে কাজ করে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST