June 26, 2026, 4:43 am
শিরোনামঃ
অপপ্রচার নাকি তদন্তাধীন অভিযোগ ? জিডির পর মুখ খুললেন বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচিগুলো সফল করি স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলার ডিএসবি অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন গুলশান থানা কর্তৃক ১৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান: বিপুল অর্থ আত্মসাৎও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার দুর্গম পার্বত্য এলাকা থেকে বম সম্প্রদায়ের অসুস্থ নারীকে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে উদ্ধার: র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতির মামলার ৫ ভুয়া র‌্যাব সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাতীয় পর্যায়ে ময়মনসিংহের বালক ও বালিকা উভয় দল রানার্সআপ দেশে কৃষকদের আরও প্রণোদনা দিলে খাদ্য উৎপাদন ও রাজস্ব আয় বাড়বে — সাংবাদিক এইচ এম মহিউদ্দিন গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব: সত্য, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া পল্লবীতে ছিনতাইকালে হাতেনাতে এক ছিনতাইকারীকে আটক করল ট্রাফিক পুলিশ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

লক্ষীপুরে গ্রাম পুলিশের চাকরি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ জহিরে ন্যায় বিচারের দাবি 

Reporter Name

নিউজ ডেক্স। লক্ষীপুর সদর উপজেলার ১৯ নং তেওয়ারী গঞ্জ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ পদে কার চাকরি কে করে। এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ নিয়োগ কালে ২০১৩ সালে ৯ ই সেপ্টেম্বর ১ নং ওয়ার্ড এর গ্রাম পুলিশ পদে নিয়োগ বোর্ড যোগ্য বিবেচিত হওয়ায় নিয়োগ বোর্ড সুপারিশ করে ধর্ম পুর গ্রামের নুর নবীর পুত্র মোহাম্মদ জহির কে।

এ ব্যাপার এ নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমির আবদুল্লাহ মোহাম্মদ মনজুরুল করিম, উক্ত তারিখে স্বাক্ষরিত নির্দেশে ও প্রদান করেন।

পরবর্তী ওই ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান হারুন, উক্ত নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশ ও কাগজ পত্র পরিবর্তন করে তার পছন্দের প্রার্থী।
ধর্ম পুর গ্রামের আবদুল মান্নান এর পুত্র মোহাম্মদ সাইফুল কে অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে ২০১৪ সালে সাইফুলকে নিয়োগ দেওয়া হয় বর্তমান এ সাইফুল ইসলাম উক্ত পদে বহাল আছে।

নিয়োগ বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লিখিত নির্দেশ অমান্য করে, কি করে একজন চেয়ারম্যান যোগ্য ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো লোককে গ্রাম পুলিশ পদে চাকরী দেয়
বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ ব্যাপার এ ভোক্তভুগী জহির বলেন ২০১৩ সালে আমি নিয়োগ পাই, এবং দশমাস চাকরি করি। কিন্তু ২০১৪ সালে হারুন চেয়ারম্যান ও আমার ওয়ার্ডের মেম্বার টাকার বিনিময়ে আমার চাকরি নিয়োগ পত্র গোপন রেখে সাইফুল কে চাকরী দেয়। এ নিয়োগ এর বিরুদ্ধে আমি আদালতে মামলা করি। মামলার সুত্র সি আর মামলা নং ১১৫৬/২৪ইং প্রসেস নং ২৪৯৫ তাং ১৬/৭/২০২৪ইং।

আমি বর্তমান প্রশাসন ও আদালতের কাছে ন্যায় বিচার এর দাবি জানাই।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST