May 1, 2026, 5:34 pm
শিরোনামঃ
ডিবির পৃথক অভিযানে ৮ কেজি হেরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল ও ২৫৫ কেজি গাঁজাসহ ছয়জন গ্রেফতার সত্য কখনো চাপা থাকে না”শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর প্রতারণার শিকার আমরা নারী কাবাডির উন্নয়নে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেব : আইজিপি ময়মনসিংহে স্কুল নারী শিক্ষার্থীদের অশীল ইভটিজিং করা সেই যুবককে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মিরপুরে নকশাবহির্ভূত বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ, অফিসার এর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মদন উপজেলা পিআইও’র বিরুদ্ধে প্রকল্পের মাটি ভরাটের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাতের অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে বেলারুশের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ অধিবেশন চলাকালে অসুস্থ হওয়া বিরোধী দলীয় এমপি’র খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিআইডি কর্তৃক ক্রিপ্টোকারেন্সি পুনরুদ্ধারঃ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

কৃষি গবেষণার ইনস্টিটিউটের সাবেক ডিজিসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন

Reporter Name

প্রথম বাংলা : বিধিবহির্ভূতভাবে ৪২ বৈজ্ঞানিক সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) সাবেক মহাপরিচালকসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যম কে নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।

প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বৈজ্ঞানিক সহকারী পদে ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর, মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং কোটা বিবেচনা করে বাছাই কমিটি মোট ১৮ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮ জন প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

কিন্তু পরবর্তীতে অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিয়োগপ্রাপ্ত ১৮ জনের বাইরে আরও ৪২ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ২৫ জন প্রার্থী আইবিএ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি, ১৪ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হননি এবং তিনজন চাকরির জন্য আবেদনই করেননি। অর্থাৎ মোট ৪২ জন প্রার্থীকে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়, যা প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে।

অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে র তৎকালীন উপপরিচালক (প্রশাসন)মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং তৎকালীন মহাপরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম মণ্ডল পর স্পর অবৈধ যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ৪২ জনকে বেআইনি উপায়ে নিয়োগ প্রদান করেন। সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা করে এজাহার অনুমোদন দেওয়া হয়।

আসামিরা হলেন— বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম মণ্ডল ও সাবেক উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। আর নিয়োগ পাওয়া বৈজ্ঞানিক সহকারীরা হলেন- মো. সেরাজু ল ইসলাম, এ. কে. এম. মুসা মণ্ডল, মো. মুকুল মিয়া, মো. নুরুল হাসান, সুয়ান কুমার দাস, মশিউর রহমান, মো. এনামুল ইসলাম, মামুন উর রশিদ, মো. হারুন-উর-রশিদ, মো. আবু সাঈদ ভূঁইয়া, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. আরিফুজ্জামান,

সামসুল আলম,জি.এইচ.এম.রায়হান কবির,মো.মামুনুর রশিদ, মো. ফরহাদ আহমেদ,মো. আবুজার রহমান,সনজিত কুমার বর্মন,প্রকাশ চন্দ্র সরকার,ফিরোজ আহমদ,মো. ফজলুল হক, মো.সরিফুল ইসলাম,মো.আল মাহমুদ পলাশ,মো.তোত মিয়া মণ্ডল,মেহেদী হাসান,মো.সবুজ বিশ্বাস,মো. সবুজ আলী মো. মফিজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, নাসরিন নাহার, মো. হুমায়ুন কবির, মো. গোলাম সাকলাইন, মো. হেলুজ্জামান, তাজুল ইসলাম, মো. মোফাখখারুল আলম, মো. রাজিব হাসান, মো. আসাদ আলী, মোহাম্মদ আলী, সাবিনা ইয়াছমিন, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. রবলুল ইসলাম এবং ফরিদুল ইসলাম।

তারা বর্তমানে সরেজমিন গবেষণা কেন্দ্র, উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, মসলা গবেষণা কেন্দ্র, কৃষি গবেষণা উপকেন্দ্র, বীজ প্রযুক্তি বিভাগ, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST