July 2, 2026, 8:37 pm
শিরোনামঃ
কমলনগরে বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র অসুস্থ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজস্ব আদায়ে ময়মনসিংহ সদর এসিল্যান্ডের সাফল্য, এক অর্থবছরে আদায় প্রায় ১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ‘অযাচিত’ দুদকের নতুন কমিশনার হিসেবে ড. মো. আশরাফুর রহমানের নাম আলোচনায় বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ীদের ধান গ্রহণ, কৃষকদের হয়রানির অভিযোগ তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৮২ জন গ্রেফতার ধোবাউড়া সাবরেজিস্টার অফিসে শ্রেণি জালিয়াতিতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সরকার শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারে গুরুত্ব দিচ্ছে – ওয়াহাব আকন্দ এমপি শাহজালালে দুবাই থেকে আসা বিমানের ফ্লাইটে মিললো ১৬০টি স্বর্ণের বার র‍্যাব-১৪-এর অভিযানে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ গোলচত্বরে ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ জন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ধোবাউড়া সাবরেজিস্টার অফিসে শ্রেণি জালিয়াতিতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

Reporter Name

প্রথম বাংলা : ময়মনসিংহ জেলার ধৌবাউড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে জমির শ্রেণি জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে দলিল লেকখ হাবিবুর রহমান। পিতা-ওহেদ আলী। গ্রাম-কড়ইগড়া, সনদ নং-৪৫৬১ এর বিরুদ্ধে। উপজেলার দক্ষিণমাইজপাড়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী মৌজায় এক খতিয়ানের জমি ‘নামা’ থেকে ‘কান্দা’ দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি অসাধু চক্র। এতে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অঙ্কের রাজস্ব থেকে। জানা যায়, ২০২৬ সালের ১৪৫৪ নং দলিলের ২৪ শতাংশ জমি গত ২ জুন রেজিস্ট্রি করা হয়।

সরকারি রেকর্ড ও ভলিউম অনুযায়ী ওই জমির শ্রেণি’নামা’ অথচ রেজিস্ট্রেশনের সময় কৌশলে শ্রেণি পরিবর্তন করে ‘কান্দা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাজস্ব বিভাগের তথ্যমতে, কালিকাবাড়ী মৌজায় বর্তমানে প্রতি শতাংশ ‘নামা’ জমির সরকারি ফি ৮ হাজার ৯৮ টাকা।

অন্যদিকে, ‘কান্দা’ জমির ফি ৩ হাজার ৭১৩ টাকা। শ্রেণি পরিবর্তনের ফলে প্রতি শতাংশে সরকার প্রায় ৪ হাজার ৩৮৫ টাকা করে রাজস্ব হারিয়েছে। ২৪ শতাংশ জমিতে এই অনিয়মের কারণে সরকারের লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের বক্তব্য: সভুক্তভোগী সোহেল মিয়া জানান, “আমি দলিল লেখককে বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু তিনি নামা জমিকে কান্দা হিসেবে দেখিয়ে বুঝছি না রাজস্ব ফাঁকি দি য়েছেন তাও বুঝিনা গার্ডয়ানকে জানাব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক আক্ষেপ করে বলেন, কিছু অসাধু দলি ল লেখকের অনৈতিক কর্মকান্ডে দায়ভার পুরো পেশাজীবীদের ওপর এসে পড়ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দক্ষিণমাইজপাড়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল হালিম স্পষ্ট জানিয়েছেন, “ভূমি অফিসের ভলিউম বা খতিয়ানে জমিটি স্পষ্টভাবে ‘নামা’ শ্রেণিভূক্ত। দলিল লেখক হাবিবুর রহমান এর সাথে মঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ধোবাউড়া সাব-রেজিস্ট্রার আজমেরী নির্ঝর গণমাধ্যমকেবলেন এমন ভুলের দায় শুধু আমার একার নয়, এর সঙ্গে দাতা গ্রহিতা ও দলিল লেখক জড়িত। ‘লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপে ক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্ম কর্তা (ইউএনও) মো: মোশারফ হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, “অনিয়মের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

রাজস্ব আদায়ের জন্য জেলা কালেক্টর বরাবর দ্রুতই চিঠি পাঠা নো হবে।” সচেতন মহলের দাবি, ধোবাউড়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন ধরে এমন জালিয়াতি করে আসছে। প্রশাসনিকভাবে কঠোর তদন্ত ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সরকার প্রতিনিয়িত বিশাল অংকের রাজস্ব হারাবেসহ সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST