June 28, 2026, 3:45 pm
শিরোনামঃ
র‌্যাব-১৪ কর্তৃক পৃথক ২ অভিযানে মাদক ও চেক জালিয়াতি মামলার ২ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ঢাকার নতুন বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) পরিদর্শন তুরাগে আ.লীগের ৭ নেতাকর্মীর লাশ ভাসার খবর যা জানালো পুলিশ পদ্মার ডুবোচরে আটকে ছিল লঞ্চ, ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে ৮৫ যাত্রী উদ্ধার অপপ্রচার নাকি তদন্তাধীন অভিযোগ ? জিডির পর মুখ খুললেন বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচিগুলো সফল করি স্পেশাল ব্রাঞ্চ কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলার ডিএসবি অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন গুলশান থানা কর্তৃক ১৮ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান: বিপুল অর্থ আত্মসাৎও প্রতারণার অভিযোগে বিটিএল গ্রুপের সিইও গ্রেফতার
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নাটোর বাগাতিপাড়ায় প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ মামলার আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার

Reporter Name

আবুল হাশেম রাজশাহী ব‍্যুরোচীফঃ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ মামলার আসামী মনিরুল ইসলাম নয়ন(২৭)কে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।শুক্রবার(৭ অক্টোবর-২২)দিবাগত রাত ৮টার দিকে তাকে ঢাকার আরামবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মনিরুল ইসলাম নয়ন বাগাতিপাড়া উপজেলার ডুমরাই গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে।

শনিবার(৮অক্টোবর) সকালে একটি প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে র‌্যাব জানায়,২১ সেপ্টেম্বরের বাগাতিপাড়া থানা এলাকায় বাক-প্রতিবন্ধী মেয়ে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা হয়। সেই মামলার সূত্র ধরে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে র‌্যাব-৫,সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল ঢাকার আরামবাগ এলাকা থেকে ৭ অক্টোবর শুক্রবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে পলাতক আসামী মনিরুল ইসলাম নয়নকে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব আরো জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মনিরুল ইসলাম ধর্ষণ করার বিষয়টি স্বীকার করেছে। আটককৃত মনিরুলকে বাগাতিপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে,ভিকটিম বাক-প্রতিবন্ধী এবং মনিরুল ইসলাম নয়ন এর প্রতিবেশী। মনিরুল ইসলামের স্ত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে মনিরুলের স্ত্রী ভিকটিমকে দিয়ে তাদের গৃহস্থলীর কাজকর্ম করাত।

সেই সুযোগে মনিরুল ইসলাম ভিকটিমকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। স্ত্রী বিষয়টি দেখলে মনিরুলের সাথে স্ত্রীর কলহের সৃষ্টি হয়। ১২ সেপ্টেম্বর মনিরুলের স্ত্রী বিষয়টি প্রকাশ করলে স্থনীয় লোকজনসহ ভিকটিমের পিতা তা জানতে পারে।

বিষয়টি প্রকাশ করার জন্য আসামী তার স্ত্রীকে মারধর করে। ভিকটিম বাক-প্রতিবন্ধী হওয়ায় ইশারা ইঙ্গিতের মাধ্যমে ধর্ষণের বিষয়টি বুঝালেও কবে কখন ধর্ষণ করেছে তা বোঝাতে পারে না। ১ মে থেকে ১২ সেপ্টেম্বর সকাল আটটা থেকে এগারোটার মধ্যে মনিরুল ইসলাম ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST