শরিয়তপুর জাজিরায় বড়কান্দি ইউনিয়নের ডুবিশা য়বর ৪০ নং মৌজা ৪৫ নং খতিয়ানে মিথ্যা ও ভিত্তি হীন ওয়ারিশের দাবি দিয়ে এস,এ রেকর্ড মালিক হলো রাবেয়া খাতুন ভিন্ন কালী লেখায় মালিক, বড়কান্দি ইউনিয়নে ডুবিশায়র মৌজায় আর,এস ৪৫ নং খতিয়ান দাগ নং ৩৯৬,৪১৪,৪১৫, ৪১৬,৪১৭, ৪১৮,৪২৮,৪৭৭,৪৭৯,৪৮০,৫১৪,৫১৯,৫৪২,৫৪৪,৫৪৮,৩৯৭,৩৯৮,৫৪৯,৫৮০,৫৮১,৫৮৭,৫৮৮,৫৮৯,৫৯০,
সর্ব গং ইমানউদ্দিন ফকির পিতা আশ্রাফ ফকির আর,এস রেকর্ড সূত্রে ইমানউদ্দিন গং অংশ মোতা বেক তার আরো দুই ভাই মেছের ফকির ও জনাবলী ফকির সমান ভাগে অংশে অংশীদার,সর জমিনে গিয়ে স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিদের কাছে জানা যায় যে আশ্রাফ ফকির গত হয়ে যাওয়ার পর তৎকালীন (১৯৩০) সালে যখন আর,এস জরিপ আসে তখন ওয়ারিশ সুত্রে তার তিন পুত্র মালিকানা লাভ করেন,
আশ্রাফ ফকিরের তিন পুত্র ইমানউদ্দিন ফকির মেছের ফকির ও জনাবলী ফকিররা প্রাথমিক ভাবে উক্ত ভূমি ভোগ করিতেন আর,এস খতিয়ান সূত্রে দখল ঘর মূলে সর্ব ইমানউদ্দিন গং ধারাবাহিকভাবে উক্ত জমি ভোগ করিতে ছিলেন।বর্ণিত আর,এস রেকর্ড প্রজা মেছের ফকির অংশ ৬০৭.৬৬ শতাংশ ভূমি প্রাপ্ত হয় তাহাতে সত্যবান দখলদার থাকিয়া ছমরুদ্দীন ফকির ও নছুর উদ্দিন ফকির দুই পুত্র করিমুন্নেসা নামে এক স্ত্রী ওয়ারিস রাখিয়া পরোলক গমন করেন,
মেছের ফকিরের প্রতি পুত্র ২৬৫.৭১ শতাংশ ও স্ত্রী ৭৫.৯০ শতাংশ ভূমি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হন অতঃ পর ১৯৫২ সালে উক্ত জমি ভাঙ্গানের কবলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় এমনতো অবস্থায় করিমন্নেছা ও তার ২ পুত্র জাজিরার ফকির মাহামুদ আকন কান্দি এসে আশ্রয় গ্রহন করেন এবং বসবাসরত অবস্থায় করিমন্নেছা পরোলক গমন করেন আজও সেখানে তার স্মৃতি সমাধি স্থান বিদ্যমান রয়েছে,
অতঃপর ১৯৬২ সালে যখন এস,এ রেকর্ড মাঠ জরি প আসে তখনি রাবেয়া খাতুনের আবির্ভাব ঘটে স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী জানা যায় যে রাবেয়া খাতুন জনাবলী ফকিরের ছোট মেয়ে উল্লেখিত দখল সূত্রে মালিক ইমানউদ্দিন ফকিরের পুত্র জিয়ান উদ্দিনের সাথে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী জনাবলী ফকিরের মেয়ের রাবে য়া খাতুনের সাথে বিবাহ দেন,ইমানউদ্দিন ফকিরের ভাই মেছের ফকিরের ওয়ারিশ এস,এ রেকর্ড চলমান থাকায় জালিয়াতি করে মেছের ফকির স্ত্রী ও জনবালী ফকিরের মেয়েকে কন্যা বানিয়ে ভিন্ন কালীর লেখা সমানভাগে মেছের ফকিরের সম্পত্তি উল্লেখিত রেকর্ডে সমানভাগে বন্টন করে দেওয়া হয়,
এমনত অবস্থায় মেছের ফকিরের দুই পুত্র বাবার ওয়ারিশ দাবী করলে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন জীবন বাঁচাতে তারা সেই স্থান থেকে পালিয়ে আসে এইভাবে চলে যায় তাদের দ্বিতীয় প্রজন্ম গুলো,
অতঃপর ২০০১ সালে ইমানউদ্দিন ফকিরের ওয়া রিশরা নিজেদের দখলকৃত জমি ভাগাভাগি করতে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় ইমানউদ্দীন ফকিরের ছেলে লালমিয়া ফকির তার চাচাতো ভাই নছুরউ দ্দিন ফকির ও ছমিরউদ্দিন ফকিরের ওয়ারিশের কাছে শরণাপন্ন হন বেদখল কৃত ওয়ারিশদের কাছে উক্ত জমির সকল তথ্যাদি প্রকাশ করেন সে সাথে উক্ত আর,এস ও এস,এ খতিয়ানের জমির কাগজ পত্র দিয়ে যান অতঃপর এই তথ্য অনুযায়ী ডুবিশায় বরের সম্পত্তির দাবিতে নছুরউদ্দিন ফকিরের মেজ নাতি ফজল ফকির তাঁর ওয়ারিশ দাবি করলে পূর্বের মতো একইভাবে তাকে হুমকি প্রদান করেন,
ফজল ফকির তার সকল ওয়ারিশদের কাছে তার হুমকির কথা প্রকাশ করেন উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নসুরউদ্দিন ফকিরের সর্ব ওয়ারিসদের মধ্যে একটা আক্ষেপ সৃষ্টি হয় তাই তারা বিজ্ঞ জাজিরা সহকারি জজ আদালত চিকন্দী শরিয়তপুর একটি মামলা দায়ের করেন দেওয়ানী মোকদ্দমা ১১৮/ ২০২২ ইং,উপরোক্ত বাদী পক্ষ নিম্নলিখিত রূপ বর্ণনা করিতেছে মোকদ্দমা সত্য ঘোষনা পাওয়ার দাবিতে চলমান মামলা এডভোকেট মোঃ আনিস উদ্দিন তালুকদার।