হাফেজ আহমদ স্টাফ রিপোর্টার
টেকনাফ গেল কয়েকদিন আগে ২০শে জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২ বিজিবির সদস্যরা,মায়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা ৩-কেজি ১৬১ গ্রাম আইসসহ মায়ানমারের নাগরিক নুরুন্নবী নামে একজনকে গ্রেফতার করে ২-বিজিবি।
আসামীর স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে ক্রিস্টাল মেথ আইসের মালিক টেকনাফ সদর মৌলভী পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট একরাম নামে প্রমানিত হয়েছে যার মামলা নম্বর ৬৪ জি আর ৪৩২।
টেকনাফ ২-বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ এর নেতৃত্বে যখন মৌলভী পাড়ার শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট একরাম কে ধাওয়া করে,পরে কোনরকম ভাবে একরাম পালিয়ে গিয়ে তার গোপন আস্তানায় চলে যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে এই একরামের ৫০ টার উপরে মামলা চলমান রয়েছে,,
শুধু মাদক মামলা নয় হত্যা ঘুম খুন মানব পাচার সহ একাধিক মামলার মোস্ট ওয়ান্টেড আসামী এই সেই কুখ্যাত অপরাধী ইয়াবা গডফাদার একরাম।
বিগত বছর মে মাসের ১৫ /২০২২ নাজির পাড়ার সমাজ সেবক শহীদ নুরুল হক ভুট্টুকে মসজিদের ভিতরে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করে খুনী একরাম সহ তার ভাই আরেক ইয়াবা গডফাদার আব্দুর রহমান গং অপরাধ জগতের ডন একরামকে গ্রেপ্তার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিমশিম খাচ্ছেন।
কারণ একরাম বাহিনীর প্রধান একরামের নানার বাড়ী মায়ানমার মন্ডু শহরে,এবং একরামের শশুর বাড়িও আকিয়াব মায়ানমার শহরে।
মায়ানমারে পালিয়ে যাওয়াটাই তার জন্য টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে যাওয়ার মত হয়ে গেছে।
ক্রিস্টাল মেথ আইস উদ্ধারের কয়েকদিন পরপরে শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট একরামের ভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা গডফাদার আব্দুর রহমানের চিংড়ি প্রজেক্ট থেকে এক লক্ষ পিস ইয়াবার বড় চালান উদ্ধার করে টেকনাফ ২-বিজিবির সদস্যরা।
ইয়াবা গডফাদার একরাম ও আব্দুর রহমানের
সাপ্তাহিক ও মাসে কয়েকটি বড় ইয়াবার চালান উদ্ধার করলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন উল্লেখিত ইয়াবা গডফাদার একরাম ও আব্দুর রহমান।
এখন সচেতন মহলের প্রশ্ন বড় বড় ইয়াবার চালাস ধরা পড়লেও অদৃশ্য কারণে বরাবরের মতোই একরাম বাহিনীর লাগাম টেনে ধরতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সচেতন মহলের দাবী,টেকনাফ ২-বিজিবি ও কক্সবাজার র্যাব ১৫-এর যৌথ অভিযান পরিচালনা করলে একরাম বাহিনীর প্রধান একরামকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারবেন,অন্যতায় এই কুখ্যাত অপরাধী একরাম বাহিনীর দাপট দিনদিন বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেন অত্র এলাকার সাধারণ জনগণ ।