July 3, 2026, 4:24 pm
শিরোনামঃ
চন্দ্রগঞ্জে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার নেতাকর্মীদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই – ওবায়দুল কাদের জামাতের সাথে বিএনপির বিরোধ লোক দেখানো-গৌতম লাহিড়ী কমলনগরে বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র অসুস্থ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজস্ব আদায়ে ময়মনসিংহ সদর এসিল্যান্ডের সাফল্য, এক অর্থবছরে আদায় প্রায় ১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্যকে ‘অযাচিত’ দুদকের নতুন কমিশনার হিসেবে ড. মো. আশরাফুর রহমানের নাম আলোচনায় বিভিন্ন জেলায় ব্যবসায়ীদের ধান গ্রহণ, কৃষকদের হয়রানির অভিযোগ তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৮২ জন গ্রেফতার ধোবাউড়া সাবরেজিস্টার অফিসে শ্রেণি জালিয়াতিতে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

গাজীপুরের ৫ সাংবাদিককে ভ্রাম্যমাণ আদাল তের করা জেল জরিমানার অধিকতর তদন্ত চায় বিএসএ নপিএস

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক: লাঞ্চ করার টাকা চেয়েছেন সাংবাদিক রা এমন অভিযোগ এনে গাজীপুরের কালীগঞ্জে ৫ সাংবাদিক কে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাধ্যমে ৩ মাসের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের জেল দেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া।

তবে বিষয়টির অধিকতর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থা(বিএসএনপিস) কেন্দ্রীয় কমিটি।

এক বার্তায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে জানানো হয়,একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ৫ জন সাংবাদিক খাবারের টাকার জন্য যাবেন এটা রহস্যজনক। আবার যিনি বাদী তিনিই বিচারক বিষয়টি সংগঠনটির কাছে ঘোলাটে মনে হওয়ায় তারা গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে ঘটনার অধিকতর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৫ সাংবাদিকে “কথিত”,”ভূয়া” শব্দ ব্যবহারেরও নিন্দা জানিয়েছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থা(বিএসএনপিস) জানিয়েছেন যেহেতু তাদের কাছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষের দেয়া পরিচয়পত্র রয়েছে সেক্ষেত্রে তাদের নামের সাথে এসব শব্দ ব্যবহার নিন্দনীয়। যেখানে তারা এই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ পাচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশে এখনো সাংবাদিকতায় এমন কোনো মাপকাঠি হয়নি যার ভিত্তিতে পেশায় নিয়োজিত কাউকে ভূয়া বা কথিত সাংবাদিক বলা যায়। সংগঠনটি আরো বলেন,এদেশে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মতো ঘটনা অতীতে ঘটেছে।

মোবাইল কোর্ট আইন-২০০৯ এর ১৪ ধারার সমালোচনা করেন সংগঠনটি। যেখানে বলা আছে অত্র আইনের ১৪ ধারা অনুসারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভুলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জড়িত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন না।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST