September 18, 2026, 9:08 am
শিরোনামঃ
কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী পুলিশ সদস্যের পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিলেন আইজিপি সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দলের দুঃসময়ে রাজপথের সক্রিয় কর্মী থেকে নতুন দায়িত্বে ৪০ বছরের ভোগদখলি জমি নিয়ে বিপাকে এক পরিবার কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ লক্কর জক্কর বিচার ব্যাবস্থা আসলে কোনো কাজেই আসছে না বালু কে খুদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ মিনহাজুল ইসলাম সুজনকে ভরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করায় অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন হাফিজুল্লাহ খান
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ধোবাউড়ায় সোনালী ব্যাংকে গ্রাহকের লক্ষ লক্ষ টাকা উধাও : ম্যানেজারের যোগসাজশে টাকা নিয়ে পালিয়েছে ঝাড়ুদার

Reporter Name

প্রথম বাংলা : ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ধোবাউড়া শাখায় গ্রাহকের একাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ব্যাংকের বর্তমান ম্যানেজার এর যোগসাজশে গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়েছে ঝাড়ুদার। এ ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

জানা যায়, সোনালী ব্যাংক ধোবাউড়া শাখায় ধোবাউড়া সদর গ্রামের শাহিন আলম দীর্ঘদিন ধরে ঝাঁড়দারের চাকরী করছেন। কিন্তু বর্তমান ম্যানেজার রুহুল আমিন যোগদানের পর ঝাঁড়ুদার শাহীন আলমকে ম্যানেজারের পাশেই চেয়ার টেবিল দিয়ে বসিয়ে দেন। আর এতে শাহীন আলম বনে যান একজন কর্মকর্তা। গ্রাহকরা ম্যানেজারের কাছে কোন কাজে গেলে তিনি শাহিনের কাছে পাঠিয়ে দেন। এভাবে শাহিন বড় অফিসার বনে গিয়ে গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করা শুরু করেন। কিছুদিন পূর্বে জনতা ব্যাংক ধোবাউড়া শাখার পোড়াকান্দুলিয়ার হরিদাস এর পাঁচ লক্ষ টাকার

একটি চেক সোনালী ব্যাংকে কালেকশনের জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার তা শাহিনের মাধ্যমে অন্য একাউন্টে কালেকশন করে দেন। কিন্তু গ্রাহক টাকা পায়নি। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করে গ্রাহকের টাকা ফেরত দেওয়া হয়। এদিকে সোমবার সকালে ধোবাউড়া উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিন বোন মদিনা, মর্জিনা এবং খালেদা আক্তার তাদের নামে ৫ লক্ষ টাকা করে সঞ্চয়পত্র জমার বিষয়টি চেক করতে যান ব্যাংকে। কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে দেখেন তাদের একাউন্ট ফাঁকা। কোন টাকা জমা নেই। তারা জানান, ২০২৩ সালে তারা তিন বোন পাঁচ বছর মেয়াদি তিনটি সঞ্চয়পত্র জমা করেন। বর্তমান ম্যানেজার রুহুল আমিন এর কাছে গেলে এই তিন বোনকে শাহিনের কাছে পাঠান ম্যানে জার। শাহীন তাদের সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে টাকা জমা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। টাকা জমা দেওয়ার পর তিন বোন তাদের লভ্যাংশের টাকাও উত্তোলন করেছেন। কিন্তু সোমবার সকালে ব্যাংকে গিয়ে দেখেন টাকা নেই। এ ঘটনা জানার পর চরম হতাশা বিরাজ করছে তাদের পরিবারের মাঝে।

মর্জিনা আক্তারের ভাই আইনুল হক জানান,আমাদের সারাজীব নের সঞ্চয় এভাবে নিয়ে গেছে, আমার আম্মা খুবই হতাশায় ভোগছেন। দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথেও ঘটেছে এমন ঘটনা। ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবিরের ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকারও হদিস মেলেনি। এভাবে গ্রাহকের লক্ষ লক্ষ টাকা উদাও হয়ে যাচ্ছে। কয়েকটি ঘটনা সামনে আসার পর পালিয়েছে ব্যাংকের ঝাড়ুদার শাহীন। এই বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই ব্যাংক ম্যানেজার রহুল আমিনের।

মঙ্গলবার সকালে সরজমিনে সোনালী ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায় বেশ কয়েকজন গ্রাহক টাকার জন্য হট্টগোল করছেন। এব্যাপারে ব্যাংক ম্যানেজার রহুল আমিন জানান, তিনি এই বিষয়ে অবগত নন তবে ব্যাকেংর কেউ জড়িত থাকলে খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত শারমিন গণমাধ্যম কে বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং ম্যানেজারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST