July 31, 2026, 6:37 pm
শিরোনামঃ
পুটিয়া ইউনিয়ন এর প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান স্থানীয় জনগণের আওয়ামীলীগের ধুসর খাদ্য কর্মকর্তা ইশরাত আহমেদ পাভেল বিএনপি সাজার চেস্টা পুলিশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে চায় : আইজিপি বায়তুল মোকাররমে অভিযান:বিপুল পরিমাণ ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৩ সেনবাগে বিএনপির উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত অননুমোদিত ভবন নির্মাণে কোনো ছাড় বা আপস নয় : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বাঁশখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ; জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির সাথে ভাসিয়ে গেল ৮৬ কোটি টাকা নতুন দায়িত্ব পেলেন ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূ হত্যা: ঘটনার ০২ দিনের মধ্যেই প্রধান আসামি গ্রেফতার করলো পিবিআই গাজীপুর
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

লক্ষ্মীপুরে কুপিয়ে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করল পাঁচ সন্তানের জননীকে

Reporter Name

নূর মোহাম্মদঃ লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজে লার ৯ নং চর গাজী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে দক্ষিণ টুমচর গ্রামের মীর সমাজে পাঁচ সন্তানের জননীকে হত্যার উদ্দেশ্য কুপিয়ে কুপিয়ে ক্ষত বিক্ষত করেছে তারই সাবেক স্বামী হেলাল।এই ঘটনায় রামগতি থানায় ভুক্তভোগী নারী রহিমার ভাই ইলিয়াস এজাহার দায়ের করেন, যাহার নং ৭০৬৩ তাং ১/১২/২২ইং।গত ২৯ নভেম্বর মঙ্গলবার ভোর রাতে রহিমা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে উঠলে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা হেলাল তাকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।রহিমার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে হেলাল পালিয়ে যায়।

এসময় রহিমাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তার জানান মাথা, মুখ, পিঠ, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ২২টি কোপ মারে হেলাল।অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।জানা যায় রহিমা ও হেলাল দম্পতির ২০ বছরের সংসারে ২ কণ্যা ও ৩ পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।বড় মেয়ে তাহমি না(১৮) ফেনী শহরে বাসায় কাজ করে।ছোট মেয়ে সুমি (১৬) সেও ফেনী শহরে বাসায় কাজ করে।
বড় ছেলে মোহাম্মদ( ১০) মেঝো ছেলে মোবারক(৮) এবং ছোট ছেলে( ৫) তাদের মায়ের কাছেই থাকে।

হঠাৎ করে হেলাল দ্বিতীয় বিয়ে করে একই গ্রামের হাশেম ডাকাতের মেয়ে সহিদাকে।সহিদার বড় ভাই জহির ডাকাত পুলিশের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে নিহত হয়।সহিদার প্রথম স্বামীও পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।ডাকু সহিদা টার্গেট করে রহিমার তিলে তিলসাজানো সংসার। রহিমাকে তার সাজানো সংসার থেকে বের করে দিয়ে সেখানে গাপটি মেরে বসে ডাকু সহিদা।এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় রহিমা ফিরে পায় তার ঘর।তার তিন শিশু পুত্র নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দুঃখে কষ্টে দিন কাটতে থাকে।তার সাবেক স্বামী হেলাল পেশায় ব্রিকফিল্ড শ্রমিক। সহিদাকে বিয়ে করার পর থেকেই নানান ভাবে নির্যাতন করতে থাকে।রহিমার চিৎকারে ছুটে আসা প্রতিবেশী স্বপ্না জানান রহিমার চিৎকারে ছুটে এসে দেখি সে জ্ঞান হারিয়ে উঠানে পড়ে আছে, হেলাল পালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের চিৎকার শুনে মহিন উদ্দিন হুজুরসহ অন্যন্যরা ছুটে এসে রহিমাকে উদ্ধার করে মাইজদী হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে চর গাজী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তৌহীদুল ইসলাম সুমন জানান, দীর্ঘদিন থেকে হেলাল রহিমার উপর অত্যাচার করে আসছে। তাকে কুপিয়ে জখম করার পর উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। তাকে চিকিৎসার জন্য আমি ঢাকায় গিয়ে সহযোগিতা করবো।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই দেলোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার পর প্রধান আসামী পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তার করতে সব ধরনের প্রচেষ্ঠা চলছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST