July 31, 2026, 11:12 pm
শিরোনামঃ
সেকুল ইসলাম খানের শুভ জন্মদিন উদযাপনে ,কেক কাটা ও শুভকামনায় মুখর ছিলো দওপাড়া জামে মসজিদে জুম্মা নামাজ সময় মাদক কারবারিকে ধরে দেওয়া অনুরোধ করছি চন্দ্রগঞ্জ থানা ওসি পুটিয়া ইউনিয়ন এর প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান স্থানীয় জনগণের আওয়ামীলীগের ধুসর খাদ্য কর্মকর্তা ইশরাত আহমেদ পাভেল বিএনপি সাজার চেস্টা পুলিশ ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে চায় : আইজিপি বায়তুল মোকাররমে অভিযান:বিপুল পরিমাণ ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৩ সেনবাগে বিএনপির উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত অননুমোদিত ভবন নির্মাণে কোনো ছাড় বা আপস নয় : গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী বাঁশখালীতে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ; জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির সাথে ভাসিয়ে গেল ৮৬ কোটি টাকা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

সাংবাদিক গ্রেফতার আর কত? গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কি কেবল কাগজে-কলমে?

Reporter Name

মোহাম্মদ আলী, লক্ষীপুর।

দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ করাই একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোনো দুর্নীতিবাজ সরকারি বা বেসরকারি কর্মকর্তা সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশিত হলেই সেই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে শুরু হয় নানামুখী চাপ, হয়রানি, মামলা এবং অনেক ক্ষেত্রে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া।

প্রশ্ন হলো?—সাংবাদিক কি অপরাধী, নাকি জনগণের জানার অধিকার প্রতিষ্ঠার একজন প্রতিনিধি?

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদ প্রত্যেক নাগরিকের চিন্তা, বিবেক, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। একইসঙ্গে প্রেস কাউন্সিল আইন, ১৯৭৪ গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি করেছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনেক ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা অনুসরণ না করে সরাসরি ফৌজদারি মামলার পথ বেছে নিচ্ছে।

এটি শুধু একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়; এটি জনগণের তথ্য জানার অধিকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিকের কলমকে হাতকড়া পরানো যায় না। কারণ ইতিহাস স্বাক্ষী, সত্যকে বন্দী করা গেলেও সত্যকে পরাজিত করা যায় না। সংবাদপত্র সমাজের আয়না। আয়নায় নিজের মুখ দেখে যদি কেউ অসন্তুষ্ট হয়, তবে আয়না ভাঙলে মুখের দাগ মুছে যায় না।

বিশ্বের বহু গণতান্ত্রিক দেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে প্রথমে জবাবদিহিতা, ব্যাখ্যা চাওয়া, নোটিশ প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। বাংলাদেশেও সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলকে অধিক কার্যকর করার দাবি দীর্ঘদিনের।

প্রশ্ন উঠছে, কোনো সংবাদ যদি মিথ্যা হয়, তবে তার প্রতিকার কি আইনগত ব্যাখ্যা ও তথ্যপ্রমাণের মাধ্যমে হবে, নাকি সাংবাদিককে গ্রেফতার করে?

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হলেই যদি সাংবাদিককে হয়রানি করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিরুৎসাহিত হবে। এতে লাভবান হবে দুর্নীতিবাজ চক্র, ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাষ্ট্র ও জনগণ।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST