December 6, 2025, 2:31 pm
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের”স্বাস্থ্য খাতে ১৫ কোটি টাকা লুটপাট লালমাইয়ে মরিয়মের অবুঝ ২ সন্তানসহ জোরপূর্বক তালা দিয়ে ঘর ছাড়া করলেন শশুর ও ভাসুর গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ১১ হাজার বর্গফুট জায়গা মাত্র ৮৩ টাকা মাসিক ভাড়ায় ব্যবহারের অভিযোগ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ‘ধানমন্ডি ৩২ ভাঙার পাপে তারেক রহমান আমৃত্যু অনিরাপদ, এসএসএফ তাকে জনবিচ্ছিন্ন করবে’: সাংবাদিক ফজলুল বারী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ ভারত থেকে শেখ হাসিনা–কামালকে ফেরত আনা অসম্ভব—৬০০ কোটি টাকার গোপন চুক্তি ব্যর্থ শেখ হাসিনার নৈতিক অবস্থানকে সম্মান: ‘আস্থাহীন’ ট্রাইব্যুনালে লড়বেন না জেড আই খান পান্না বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই ক্যাঙ্গারু কোর্টে রায়: জয় কুড়িগ্রামে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বিকে অভিনন্দনঃ টাঙ্গাইলে জেলহাজতে আ.লীগ নেতার মৃত্যু: বিনা চিকিৎসায় ‘পরিকল্পিত হত্যা’র অভিযোগ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

কিস্তিতে মাসোয়ারা নেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের এএসআই

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার – মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (খ-সার্কেল) মিঠাপুকুর অফিসের সহকারী উপপরিদর্শক- নুর ইসলাম, মাদক কারবারিদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে মাসিক চাঁদার কিস্তি নেন বলে জানা গিয়েছে। এর পূর্বেও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC)।

এমনকি এই কর্মকর্তা একজন পেশাদার জুয়াড়ি। তার নেতৃত্বে চলে জুয়ার আসর।
বৃহস্পতিবার (৩-এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,(খ) সার্কেল, মিঠাপুকুরে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক নুর ইসলামের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, তিনি শাহিনুর নামে এক মুদি দোকানির (মাদক কারবারির) কাছ থেকে মাসিক চাঁদা নেওয়ায় দুই যুবকের তোপের মুখে পড়েন। চাঁদা নেওয়ার অপরাধে লাঠি হাতে দুই যুবক তাকে আঘাত করার চেষ্টা করছেন।

তাঁকে রশি দিয়ে বাধার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। এসময় সহকারী উপপরিদর্শক- নুর ইসলাম, তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে সটকে পড়ার চেষ্টা করছিলেন।
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (খ) সার্কেল,মিঠাপুকুর অফিসে যোগদানের পর থেকে নুর ইসলাম, মাদক কারবারিদের কাছে মাসিক চুক্তিতে চাঁদা আদায় করে আসছেন। কখনো নিজে কখনো সোর্স মাধ্যমে আবার কখনো তার দেয়া বিকাশ নাম্বারে প্রতিমাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে তিনি মাসিক চাঁদা নিয়ে থাকেন।

যাঁরা মাসিক চাঁদা দেন তারা নির্ভয়ে মাদক কারবার চালিয়ে যে তে পারেন। এমনকি কোনো কারণে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালিত হলেও যাঁরা তার সঙ্গে চুক্তিতে যুক্ত তারা আগাম খবর পেয়ে যানআর যাদের সঙ্গে চুক্তি নেই, তাদের অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। তবে মাদক কারবারিদের অনেকের অভিযোগ, একবার গ্রেফতার হওয়ার পর নুর ইসলামের সঙ্গে চুক্তি বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে।

মিঠাপুকুর উপজেলার ০২ নং রানীপুকুর ইউনিয়ন এবং ০৩ নং পায়রাবন্দ ইউনিয়ন ঘুরে ছোট-বড় প্রায় ৪২ জন মাদক কারবা রির তথ্য মিলেছে। যেখানে বেশ কয়েকজন মাদক কারবারি নুর ইসলামকে বা তার সোর্সকে চাঁদা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। মাদক ব্যবসায়ীরা তাদের ধরন অনুযায়ী মাসিক চাঁদা দেন যেমন,হাঁড়িয়ার জন্য ১০০০,গাঁজা ব্যবসায়ি ২০০০, চোলাই মদ ৩০০০,ইয়াবা ৫০০০,হেরোইন ৮০০০,ফেনসিডিল ব্যবসায়ীর ১০০০০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিমাসে মাদক দ্রব্যের এই কর্মকর্তা আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা,ঘুষের মাসিক চাঁদা আদায় করে থাকেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST