April 13, 2026, 7:52 am
শিরোনামঃ
দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু এভারকেয়ারে ভর্তি চাঁদাবাজদের তালিকা হচ্ছে : র‍্যাব কাল থেকে ৫ সিটিতে হামের টিকাদান শুরু মেধা-মননশীলতা দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান আইজিপির অন্যান্য বাহিনীর ন্যায় র‌্যাব ফোর্সেসও”দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ কে নিষিদ্ধ করা পতিবাদে বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠন’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আয়মান হোসেন অপুর বিবৃতি ৮৩ লাখ টাকার সোনা, ৯ হাজার ডলারসহ ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম আটক লক্ষ্মীপুর মিয়ার বেড়ীর হেলাল ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্বে জোর পুর্বক জমি দখলের অভিযোগ করেন মমিন উল্লাহ মেস্তুরী আত্মগোপনে থাকা সাবেক নারী এমপি ঢাকায় গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পে ২৯২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

দুদকের ৩ মামলার আসামি পিআইও কালামের ক্ষমতা জোর কোথায়

Reporter Name

সবুজ হোসেন রাজা শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

দুর্অনীতির দায়ে অভিযুক্ত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের খুঁটির জোর নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা। দুদকের ৩টি মামলার আসামি হলেও এখনও তিনি বহাল তবিয়তেই রয়েছেন।

অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা উপার্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলার আসামি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা করে দুদক। তবে এসবের থোরাই কেয়ার করেন তিনি তিনি, এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন এবং কর্মক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করে তার অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পিআইও আবুল কালাম আজাদ তার অনিয়ম, দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। নামে বেনামে, স্ত্রী সন্তান ও আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদের পাহাড় করেছেন। তার রয়েছে অর্ধকোটি টাকা মূল্যের একটি প্রিমিও গাড়ি, এই গাড়ি করেই তিনি পাবনা থেকে প্রতিদিন শাহজাদপুরে যাতায়াত করতেন।

২০১৯ সালে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর থেকে তৎকালীন সংসদ সদস্যের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। এসময় তার কার্যালয় কে শাহজাদপুরের সর্বস্তরের দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেন। অভিযোগ রয়েছে ২০২১ সালে তার বদলি হলেও তৎকালীন এমপির সুবিধার জন্য তিনি অসাধু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পুনরায় শাহজাদপুরেই থেকে যান।

২০২২ সালে তিনি বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গেলেও এখানকার দুর্নীতির অর্থের লোভে এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সুবিধা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ২০২৪ সালে আবারও শাহজাদপুরে বদলি হয়ে আসেন। তবে পট পরিবর্তনের কারণে তিনি বেশিদিন সুবিধা করতে পারেননি।

পরে দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা কার্যালয়ের তদন্তে শাহজাদ পুরের পিআইও আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বীর নামে ৪ কোটি ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকার সন্ধান পায়,অথচ তাদের কোন আয়ের উৎস নেই।
পরে এই বিষয়ে গত ১১ই মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বীর নামে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ ও সম্পদ অর্জনের দায়ে ৩টি মামলা দায়ের করেন।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, পিআইও আবুল কালাম আজাদের কারণে আমি নিজেও বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি আশা করছি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান হবে।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST