October 15, 2026, 2:10 am
শিরোনামঃ
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘সিনিয়র সচিব’ হলেন মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করে দায়িত্ব হারালেন মন্ত্রীর এপিএস খাদ্যের মান যাচাইয়ের ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু শাহজাদপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা: চকরিয়ার উপজেলা ও পৌরসভার মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি বিভিন্ন জেলায় খাদ্যগুদামে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ চট্টগ্রামে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার এর উদ্বোধন ময়মনসিংহে বিশ্ব মান দিবস পালিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩

Reporter Name

আবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি :

নরসিংদীর মাধবদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধা জাহানারা বেগম (৭৩) কে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছেন পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ। ১৭ইং সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবদী থানা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)

মোঃ আশিকুর রহমান এ তথ্য জানান। পুলিশ জানায়,গত ৩০ জুলাই বিকেলে মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়ন এর স্বর্ননিগৈড় গ্রামে নিজ বাড়ির বারান্দায় নামাজরত অবস্থায় জাহানারা বেগম (৭৩)কে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে মাধবদী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, স্বর্ননিগৈড় গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭),একই গ্রামের ছায়েদের ছেলে কাদির মিয়া (২৭) ও আকমান মিয়ার ছেলে আবু মিয়া (২৯),হৃদয় মিয়াকে ৯ আগস্ট,কাদির মিয়াকে ৩০ জুলাই এবং আবু মিয়াকে ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সুমন ও কাদিরের বিরুদ্ধে এর আগেও পৃথক মামলা রয়েছে।,আবু মিয়ার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী,জহুরা খাতুনের গলার সোনার চেইন চুরির উদ্দেশ্যে প্রায় ৭/৮ মাস আগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বসে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার দিন বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। আসামিরা জহুরা খাতুনের বাড়িতে প্রবেশ করে নামাজরত অবস্থায় থাকাকালে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

এ পর্যায়ে বিদ্যুৎ চলে আসে এবং তাদের চিনে ফেলে এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠ ও মাথায় আঘাত করা হয়।

পরে তার গলার সোনার চেইন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ আশিকুর রহমান,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন এবং অফিসার ইনচার্জ মাধবদী থানা মোঃ কামাল হোসেন সহ জেলার সম্মানিত সংবাদিকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST