May 26, 2026, 12:15 am
শিরোনামঃ
ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ শম্ভুগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা জুট মিল পুনঃসচলের লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম “শেখ হাসিনা বীরের বেশে খুব দ্রুত দেশে ফিরবেন,যেকোনো সময় মাঠে নামার ডাক আসতে পারে”-আয়মান হোসেন অপু কক্সবাজারে মেম্বার লিয়াকত আলীকে হামলা করে দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোনীত ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে পুলিশি নিরাপত্তা বিষয়ক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত দুর্নীতিবাজদের ছাড় নয় : মহাপরিচালক খাদ্য অধিদপ্তর : দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কয়রায় বন্ধুসভার মানববন্ধন নির্ভীক সংবাদ চর রমনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মহি উদ্দিন জনির মতবিনিময়
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

মৎস্য অধিদপ্তরের প্রকল্প,অডিটে ধরা পড়লো ২৫৮ কোটির অনিয়ম

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : মৎস্য খাতের বড় সরকারি উদ্যোগ ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ প্রকল্প। উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে নেয়া প্রকল্পটিতে অডিট অধিদপ্তর ২৫৮ কোটি টাকার গুরুতর আর্থিক অনিয়ম পেয়েছে। অডিটের তথ্যমতে,

প্রকল্পের বড় আর্থিক অনিয়মগুলোর মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডি সি) ক্যাম্পাসে নির্মাণকাজে ডিফার্ড বার ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে ঠিকাদারকে ৪৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা দেয়া, খালের মাটি খননের অতিরিক্ত উচ্চতা দেখিয়ে বিল পরিশোধ করার মাধ্যমে সরকারের ১৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা ক্ষতি করা, অনুমোদন ছাড়া মূল বিশেষজ্ঞ পরিবর্তন করে আরডিপিপি বরাদ্দ থেকে অতিরিক্ত কাজ দেখিয়ে সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় করা,

কাজ সম্পাদনের ভুয়া তথ্য দিয়ে ঠিকাদারকে তিন কোটি টাকা আর্থিক সুবিধা দেয়া ইত্যাদি।

এ ছাড়া, অপ্রয়োজনীয় পরামর্শককে বিল পরিশোধ, একই কাজের জন্য দু’বার বিল পরিশোধ, আর্থিক বিবরণীতে ৩৭ কোটি ৩৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা অতিরিক্তভাবে দেখানোর মতো নানা অনিয়ম করা হয়েছে।

সমর্থনযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই ব্যাংকের হিসাব বিবরণীতে ৪৮ কোটি ৫০ হাজার টাকার ভ্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সামুদ্রিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে মৎস্য জরিপের মাধ্যমে চিংড়ি এবং তলদেশীয় ও ভাসমান প্রজাতির মৎস্যের মজুত নিরূপণ কর্মসূচি জোরদা রকরণ, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা সংস্থার সামর্থ্য বৃদ্ধিপূর্বক বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই মৎস্য মজুত সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, বাণিজ্যিক ও ক্ষুদ্রায়তন মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন অধিকতর কার্যকর পরিবীক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি (এমসিএস) পদ্ধতির বাস্তবায়ন,

উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য আহরণ ও উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট অবকাঠমো উন্নয়ন এবং উৎপাদিত মৎস্যের ভ্যালু চেইন উৎকর্ষ সাধন ও অপচয় হ্রাস করা,উপকূলীয় জেলাগুলোয় ক্লাস্টার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির সম্প্রসারণ ঘটিয়ে চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি ও রপ্তানি বৃদ্ধি করা,মৎস্য মজুত পুনরুদ্ধার এবং উপকূলীয় মৎস্য আহরণের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসক রণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি হাতে নেয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST