April 24, 2026, 8:37 am
শিরোনামঃ
বুড়িচংয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ শিশু ফাতেমার পরিবারে প্রতিমাসে খাবার পাঠিয়ে প্রশংসিত প্রধানমন্ত্রী পরানগঞ্জে খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ময়মনসিংহ ডিএনসি”র গোয়েন্দা কার্যালয়ের অভিযানে চার হাজার পিচ ইয়াবা সহ এক নারী গ্রেফতার বোরো মৌসুমে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও মূল্য নির্ধারণ : ৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে সহায়তা পেল শতাধিক পরীক্ষার্থী ভূমি মন্ত্রণালয়ের বড় পদোন্নতি: ৩২১ জন সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কানুনগো পদে পদোন্নতি ময়মনসিংহে বিএনপির নেতা বডি মাসুদ গ্রেফতার: ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা উদ্ধার এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি ৯৮ হাজার কোটি টাকা ময়মনসিংহে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের কারাদন্ড
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া প্রসঙ্গে আইএসপির

Reporter Name

প্রথম বাংলা : শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮ টায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় দুটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।

ঘটনার শুরুতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে স্থান ত্যাগ করার জন্য ও দেশের বিদ্যমান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়।

তবে বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও কতিপয় নেতাকর্মীরা তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে। তারা সংগঠিতভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে।

এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়।

এছাড়াও বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী শান্তিপূর্ণ সমাধানের সকল চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলস্বরূপ, জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বল প্রয়োগে বাধ্য হয়। উল্লেখ্য আজকের উদ্ভূত ঘটনায় সেনাবাহিনীর ৫ জন সদস্য আহত হয়।

সকল ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনয়নে সকল ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে সদা প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST