July 5, 2026, 7:22 pm
শিরোনামঃ
০২ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি উত্তরা বিভাগ পলাশবাড়ী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: যা বললেন নবনির্বাচিত সভাপতি বান্দরবানে অস্ত্র ও গুলিসহগ্রেফতার কুকি চিং সদস্য থানা ও উপজেলার সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে ট্রাক, অলৌকিকভাবে রক্ষা পেল কারখানা ও শ্রমিকরা মানবপাচার থেকে রাজনীতির শীর্ষপদ: দীপক মন্ডলের ‘ভোলবদল’ নাটকে জিম্মি গোপালপুর পরিচয়ের আড়ালে বহুরুপী এক চরিত্র (দীপক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক, ০৩ নং গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপি চন্দ্রগঞ্জে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার নেতাকর্মীদের চোখে এখন আর জল নেই, আছে শুধুই আগুন, এই আগুন বিস্ফোরিত হবে শীঘ্রই – ওবায়দুল কাদের জামাতের সাথে বিএনপির বিরোধ লোক দেখানো-গৌতম লাহিড়ী কমলনগরে বেত্রাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র অসুস্থ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

গোপালগঞ্জ গোবরার বিরাঙ্গনা ফরিদা বেগম ভুমিদস্যূদের থাবায় সর্বক্ষ্যান্ত

Reporter Name

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়নের মৃত আজিম মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম (বেলা) ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের সময়ে পাকিস্থান হানাদার বাহিনীর কাছে যুদ্ধে র নয় মাসের শেষের দিকে অমানবিক অত্যাচার ও ধর্ষনে র শিকার হয়। যুদ্ধপরবর্তী সময়ে এ বিরাঙ্গনা পরিবাররকে কেউই মেনে নেয় নাই, দেখেছে ঘৃনার চোখে। ১৯৭৯ সালে তার স্বামী মারা যাওয়ার পর সমাজের কু-প্রভাবশালী ও ভুমি দসূদের অত্যাচার তার উপর বেড়েই চলছিল। তার বড়মেয়ের বিবাহ উপযুক্ত হয়ে উঠলে সমাজের কেহই এই বিরাঙ্গনার মেয়েকে বিবাহ করতে রাজি হয় না।

অনেক দুঃখ কষ্টে দুই মেয়ের ভবিৎষতের দিকে তাকিয়ে তাদের নিয়ে ১৯৮৩ সালে গ্রাম ছেড়ে সে ঢাকা চলে যান।
এ ব্যপারে বীরঙ্গনা ফরিদা বেগম (বেলা) এর কাছেজানতে চাইলে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে তিনি বলেন, ১৯৭১ সা লের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের শেষের দিকে পাক সেনারা আমাকে ধরে নিয়ে নির্মম ভাবে অত্যাচার ও ধর্ষন করেন যার কারনে আমি আজো অসুস্থ হয়ে আছি। দেশ স্বাধীন করার লক্ষে বাঙ্গালী জতি হারিয়েছে ৩০ লক্ষ মা বোনের ইজ্জত। হারিয়েছে বাড়ি ঘর, জীবন দিয়েছে হাজার হাজার দামাল ছেলেরা আজ আমাদের কোন মুল্য নাই। আমি ৭১ পাক বাহিনীর থাবার হরিয়েছি আমার ইজ্জত, পুরুস্কার হিসাবে পেয়েছি নোংড়া সমাজপতিদের কুনজর সেই সাথে পেয়েছি এই নোংড়া সমাজের ধিক্কার। আজো আমি আমার অধিকার ফিরে পাই নাই। আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে আমার দুই মেয়েকে নিয়ে নোংড়া সমাজের লোকেদের কু–দৃষ্টির ফলে পালিয়ে যাই ঢাকায়

ওখানে গিয়ে আমার দুই মেয়ের বিবাহ দেই। দীর্ঘ্য ২৭বছর পরে আমি বাড়িতে আসি আমার বাবা মায়ের ভিটা-বাড়িতে এখানে এসে দেখি আমার যা্ কিছু সম্পত্তি আছে তা দখল করে আছে, তাদের মধ্যে মৃত বেলায়েত হোসেন মোল্লা ছেলে জোবায়ের মোল্লা,আজাদ মোল্লা ও আব্বাস মোল্লা, আমি আমার জমি ফেরৎ চাইলে আমাকে বিভিন্ন ভাবে আত্যাচার করেই চলেছে। বর্তমানে আমি মানুষে বাসায় কাজ করে খাই নিজের বলতে কিছুই নেই। আমি একজন বীরাঙ্গনা এটা সকলেই জানে আমাকে বাংলাদেশ সরকার বহুবার খুজেছে কিন্তু পায় নাই। আমি আমার মেয়েদের দিকে তাকিয়ে গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম, আজ আমি আমার পৈতিক ভিটায় ফিরে এসেছি, আমি না থাকায় ভুমি দস্যূরা আমার সকল জায়গা দখল করে আছে।

আজ আমি আমার জায়গা জমি ও অধিকার ফিরে পেতে চাই।বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আমাদের মা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করছি আমার সকল জায়গা জমি ভুমি দস্যূদের হাত খেকে রক্ষা ও আমার ইজ্জত হারানো সম্মান দান করে সমাজে মাথা উচু করে দাড়াতে পারি সেদিকে দৃষ্টি দান করেন।এ ব্যপারে গোবরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যন শফিকুর রহমান চৌধুরী টুটুল এর কাছে জানতে চেইলে তিনি বলেন ফরিদা বেগম(বেলা)একজন বীরাঙ্গনা। দীর্ঘ্য দিন এলাকায় না থাকায় তার সরকারী ভাবে নাম নেই, তবে সে একজন প্রকৃত বীরাঙ্গনা। বিরাঙ্গনা হিসাবে গোবরা ইউনিয়ন পরিষদের একটি প্রত্যয়ন পত্র তাকে দেওয়া হয়েছে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST