June 4, 2026, 6:03 am
শিরোনামঃ
নেত্রকোনায় পাওনা টাকার দ্বন্দ্বে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা কালিয়াকৈরে ৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় চার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার আসহাব উদ্দিন চৌধুরী’র মায়ের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ছোট বেলার স্মৃতি” খালেদ আহমদ

Reporter Name

 

“ছোট বেলার স্মৃতি”
খালেদ আহমদ

মোঃ রেজাউল ইসলাম শাফি কুলাউড়া প্রতিনিধি

মনে পড়ে আজ ছোট্ট বেলায়

কত করেছি খেলা,
ধূলোর সাথে গড়াগড়ি করে
কত কেটেছে বেলা।

নারিকেল পাতার বাঁশি তৈরি
এ পাতায় হাতঘড়ি,
সুপারি গাছের খোলে চড়ে
যেথাম কুটুমবাড়ি।

খেলা ঘরে প্রতিদিন
বিয়ে হতো যত,
আমি হতাম বর প্রতিদিন
সেজে বরের মতো।

কাদা মাটিতে কত রকমের
বাসন তৈরী করে,
সেই গুলোকে সাজিয়ে রাখতাম
মোদের খেলা ঘরে।

সেই পাত্রে রান্না হতো
রকমারি তরকারি,
এই সব দেখে ভাবিজান এসে
করতেন যে মশকারি।

নারিকেল পাতার চশমা চোখে
হাতে নিয়ে বেত,
মাস্টার সেজে শিক্ষা দিতাম
ছাত্র ছিল কচু ক্ষেত।

মা এসে বলতেন আমায়
একদিন তুমিই হবে মাস্টার!
কচুর মতো প্রহার করো না
এটাই মোর আবদার।

শিক্ষার্থীদের দিকে চাইলেই মনে হয়
মায়ের সেই উপদেশ,
তাই তো আমি সবার সাথে
মিশে যাই সহজে বেশ।

আঘাতে আঘাতে কত কচুর
পাতা করেছি নষ্ট,
সে দিনের স্মৃতি মনে হলে আজো
মনে পাই বড় কষ্ট।

বাড়িতে যেই দিন মেহমান আসতেন
বিস্কুট নিয়ে আসতেন সাথে,
নজর থাকতো ‘খালি প্যাকেটে’
কবে আসবে হাতে।

অনেক দিনের প্যাকেট জমা করে
দোকান বসানো হতো,
এই সব দেখে সেজভাই এসে
লজ্জা দিতেন কত!

মাটির জিনিষ কিনে ভাই
দিতেন সত্যিকারের টাকা,
মনে সেই দিন ভাবতাম আমি
ভাই মনে হয় বোকা।

আদর করে যে টাকা দিতেন
বুঝিনাই সেই দিন,
সারা জীবন থেকেই গেল
আমার কাছে ঋণ।

কাঁঠাল পাতাই টাকা ছিল
বাঁশের পাতাই ইলিশ,
খড়কুটো দিয়ে তৈরি করতাম
খেলা ঘরের বালিশ।

(সংক্ষেপিত)
রচনাকাল১৯/১১/২০১৫
রচনার স্থান, নানা বাড়ি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST