May 25, 2026, 8:17 pm
শিরোনামঃ
ত্যাগ ও কুরবানির মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মুসলিম পরিবার, ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছায় দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ শম্ভুগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা জুট মিল পুনঃসচলের লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম “শেখ হাসিনা বীরের বেশে খুব দ্রুত দেশে ফিরবেন,যেকোনো সময় মাঠে নামার ডাক আসতে পারে”-আয়মান হোসেন অপু কক্সবাজারে মেম্বার লিয়াকত আলীকে হামলা করে দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু গেরিলা সংগঠনের নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোনীত ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে পুলিশি নিরাপত্তা বিষয়ক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত দুর্নীতিবাজদের ছাড় নয় : মহাপরিচালক খাদ্য অধিদপ্তর : দুই কর্মকর্তা প্রত্যাহার শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কয়রায় বন্ধুসভার মানববন্ধন নির্ভীক সংবাদ চর রমনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মহি উদ্দিন জনির মতবিনিময়
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল ফুলবাড়িয়ার হাতে তৈরি লাল চিনি

Reporter Name

প্রথম বাংলা : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় আখের রস থেকে হাতে তৈরি লাল চিনির ঐতিহ্য প্রায় আড়াইশ বছরের। মিহি দানার পাউডার জাতীয় এ চিনি শরবত, পিঠা বা মিষ্টান্ন সব কিছুতেই ব্যবহার করেন স্থানীয়রা। এই চিনি তৈরির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং শতভাগ বিশুদ্ধ।

কোনো ধরনের যন্ত্রের ব্যবহার ছাড়া অর্গানিকভাবে তৈরি করা এ চিনির কদরও বেশ। এ উপজেলায় উৎপাদিত চিনি প্রতিবছর প্রায় শতকোটি টাকায় বিক্রি হয় বলে জানায় কৃষি বিভাগ। ঐতিহ্যবাহী লাল চিনি এবার ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ফুলবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ গণমাধ্যম কে বলেন, ওয়েবসাইট চেক করে আমরা জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। ২০২৪ সালের ১১ জুলাই ফুলবাড়িয়ার লাল চিনির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে।

তিনি আরও বলেন, আবেদন নম্বর ছিল জিআই-৮৮। গত ২৭ মে শিল্পমন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর থেকে জার্নালে প্রকাশ করা হয়। আর কোনো পক্ষের দাবি আছে কী না সে জন্য জার্নালটি প্রকাশ করা হলেও কারও দাবি না থাকায় সব প্রক্রিয়া শেষে আমরা স্বীকৃতি পেয়েছি। সনদের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি জমা দেওয়া হয়েছে।

নূর মোহাম্মদ বলেন, জিআই স্বীকৃতির মাধ্যমে অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসবে। আগে যারা লাল চিনি সম্পর্কে জানতো না তারাও এখন জানতে পারবে। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ায় কৃষকরাও এটির উৎপাদন বাড়াবে এবং সরকারেরও পৃষ্ঠপোষকতা বাড়বে। অর্গানিক পণ্য হিসেবে দেশের বাইরে রপ্তানি করা গেলে চাষিদের জন্য অন্যরকম সুযোগ তৈরি হবে।

ফুলবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুল ইসলাম গণমাধ্যম কে বলেন, লাল চিনির জিআই স্বীকৃতির বিষয়টি আজ আমরা নিশ্চিত হয়ে সনদের জন্য টাকা জমা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। এ স্বীকৃতিতে উচ্ছ্বসিত এ অঞ্চলের মানুষ। এ স্বীকৃতি এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST