October 25, 2026, 12:11 pm
শিরোনামঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপ্তি: ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব আবদুল খালেক দুই দিনের সরকারি সফরে নেত্রকোণা” সমৃদ্ধ ও আধুনিক ‘স্মার্ট-দিঘলী’ গড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আপন প্রত্যয় চট্টগ্রামে চিনি বোঝাই কার্ভারভ্যানে ছিনতাইঃ বান্দরবানের লামা থেকে ১৪৪ বস্তা চিনি উদ্ধার রায়পুরে ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ হাওলাদার রাজারহাট সদর ইউনিয়নে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন শাহাদাত হোসেন লাল ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী কঠোর নিরাপত্তায় নির্বিঘ্ন প্রতিমা বিসর্জন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন পর্যবেক্ষণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় মানিকগঞ্জের সম্প্রীতির সুনাম ধরে রাখতে হবে :খাদ্যমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

নেত্রকোনা খাদ্য বিভাগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ (২)

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : খাদ্য অধিদপ্তরের অধিনে নেত্রকোনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কার্যালয় ঘুষ দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে যেন দেখার কেউ নেই উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা কি দুর্নীতির সাথে জড়িত।বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ এর পরও রয়েছে বহাল তরবিয়তে।

অনুসন্ধানে জানা যায় জেলার খাদ্য গুদামগুলোতে ভালো মানের চাউল মজুদ থাকলে বেশি দামে তা বাইরে বিক্রি করে নিম্ন মানের কিছু চাউল মজুদ করে।

এতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসিএলএসডি)র পকেটে উঠে লাখ, লাখ টাকা। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ভাগ পেয়ে নীরব থাকে।
একটি সুত্র জানায় নেত্রকোনা জেলার ঠাকুরাকোনা, সদর, পুর্বধলা, বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ সহ জেলার বিভিন্ন খাদ্য গুদামে শত, শত টন চাউল এর ঘাটতি। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছুর রহমান হুমায়ুন জেনেও বিশেষ সুবিধা নিয়ে রয়েছে নীরব। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিন তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতি।

খাদ্য পরিদর্শক দ্বীতিয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হয়ে এলএসডিতে পোস্টিং নিয়ে দুই থেকে তিন বছরেই কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে যায়। এ অর্থের উৎস কোথায়। জানা যায় খাদ্য গুদামে পোস্টিং পেতে লাখ, লাখ টাকা খরচ করতে হয়। ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর খাদ্য বিভাগে অনেক সিনিয়র খাদ্য পরিদর্শক থাকার পরও টাকা খরচ করতে না পারায় এলএসডিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পদে পোস্টিং পায় না। এনিয়ে খাদ্য বিভাগে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্টক রেজিস্টার এর সাথে গুদামের মালামাল এর রয়েছে গড়মিল।

সরকারিভাবে জেলা বিভিন্ন উপজেলায় পুষ্টি চাউল দিয়ে থাকে খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্য বান্ধব ডিলারদের মাধ্যামে বিতরণের জন্য। প্রতি কেজি পুষ্টি চাউলের দাম ২২শত টাকা কেজি। পুষ্টি চাউল অর্ধেক বিতরণ করে মিল মালিক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং ওসিএলএসডি দের যোগসাজযে খাদ্য অধিদপ্তরের আমদানি কারক এর কাছে বিক্রি করে লাখ, লাখ টাকা ভাগবাটোয়ারা করছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছুর রহমান হুমায়ুনের বিরুদ্বে ওএমএস ডিলার, খাদ্য বান্ধব ডিলারদের কাছ থেকে মাসোয়ারা নেওয়ায় রয়েছে অভিযোগ।

সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যামে অর্থ কামানোর জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করে পোস্টিং নেয়। ময়মনসিংহ থেকে যেয়ে নেত্রকোনা অফিস করে থাকেন।

জেলার বিভিন্ন খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি বিভিন্ন কর্মসুচীর চাউল ওজনে কম দেওয়া হয়। এ নিয়ে রয়েছে বির্তক।
এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোয়েতাছুর রহমান এর মতামত জানতে বার, বার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST