গত ২৭ জানুয়ারি-২০২৩ চট্টগ্রাম প্রতিদিন অনলাইন পোর্টালে “পতেঙ্গা-ইপিজেড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে গ্রামের সিএনজি, ৪ হাজারে মেলে ’রোড পারমিট’” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানয়েছেন জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার (সিনিয়র রিপোর্টার) মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন।
তিনি বলেছেন,আমাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া,বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদি ত।প্রতিবেদনে যে সড়কের কথা বলা হয়েছে সেখানে আমার কোন সিএনজি নেই। প্রতিবেদনে লাইনম্যন বেলাল ও কয়েকজন সাংবাদিকের নামে সিএনজি চলা সবই কল্প- কাহিনী ছাড়া কিছুই নয়। আমি এই নিউজের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে,চট্টগ্রাম প্রতিদিনের প্রতিবেদক যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন সেটি সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক এবং ভুয়া। বরং রাজনীতি নেতা থেকে শুরু করে কুলির কাছ থেকেও মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ আছে বিজয়ন গরে থাকা ওই প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে। বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে এলাকার বহু মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগ ওই প্রতি বেদকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের। এছাড়া নগরীর পতে ঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অবৈধ স্টেশন বানিয়ে গ্রাম সিএনজি অটোরিকশা লাইন চালু করে নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিলেন তিনি।
উক্ত নিউজের প্রতিবাদক যে অভিযোগ তোলেছেন ,বেলাল নামের এক যুবক লাইনম্যানের দায়িত্ব পাল ন করছেন এবং প্রতি ট্রিপে,প্রতি সিএনজি থেকে ১০ টাকা করে পাচ্ছেন। প্রকৃত সত্য হলো- ওখানে লাইনম্যান বেলালের যেমন অস্থিত্ব নেই,তেমনি টাকা নেয়ার কথাও কাল্পনিক। প্রতিবেদনে পারভেজ, সোহাগসহ যাদেরকে সাংবাদিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে সবই প্রতিবেদকের ঘুমে স্বপ্ন দেখা তথ্য। শুধুমাত্র আমাকে হেয় করতে আমার নামটি সুপরি কল্পিতভাবে লিখা হয়েছে।
এই প্রতিবদকের উদ্দেশ্য ছিল একটি কাল্পনিক ও ভুয়া নিউজ তৈরি করে আমার বিরুদ্ধে কুৎসা ছড় নো। ওই প্রতিবেদক নোংরা,ভিত্তিহীন,অসাংবাদিক সূলভ আচরণের মাধ্যমে আমাকে সামাজিক,মান ষিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে।দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠা ন হিসেবে অনলাইন পত্রিকাটিতে এমন প্রতিবেদক থাকা সত্যি উদ্বগজনক।প্রতিবেদক এবং পত্রিকাটির এমন ভিত্তহীন প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নোংরা সাংবাদিকতায় আমি বিশ্বসী নই। ভবিষ্যতে এমন ভিত্তহীন প্রতিবেদনের পূনরাবৃত্তি হলে ওই প্রতিবেদকের চাঁদাবাজির অডিওসহ ধারাবাহিক প্রতিবেদনে বাধ্য হবো।