May 10, 2026, 9:40 am
শিরোনামঃ
পুলিশ যেন আর কখনো জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ নিরা পত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা প্রেস বিজ্ঞপ্তি’চট্টগ্রামে বিআইএমএএসসি ও প্যান সলিউশনের যৌথ উদ্যোগে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারের উখিয়া ‎জালিয়াপালং উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরী কতৃক ছাত্রীকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ, সিলেটের পাথর কোয়ারি ইজারা প্রদানে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন; পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার লন্ডন যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি শুভেচ্ছা সফরে ভারতীয় নৌবাহিনী জাহাজের চট্টগ্রামে আগমন নজরদারি বাড়াতে রাজধানীতে বসছে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা আরএমপি’র ৩৩তম পুলিশ কমিশনার হিসেবে মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের দায়িত্ব গ্রহণ ময়মনসিংহ যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামের উপর হামলা
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ নিরা পত্তা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা

Reporter Name

প্রথম বাংলা :০৮ মে, ২০২৬ | ঢাকা, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।

বাংলাদেশ সফররত পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ইন্টেরিয়র মিনিস্টার) সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি আজ বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উভয় দেশের মন্ত্রী আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিন্ন স্বার্থের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং বিচারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে দুই দেশ একমত পোষণ করে।

মানবপাচার (TIP) এবং অভিবাসীদের অবৈধ চোরাচালান (SOM) প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং পাচারকারী চক্র দমনে যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

ফৌজদারি অপরাধের তদন্তে দ্রুত তথ্য ও সাক্ষ্য বিনিময়ের লক্ষ্যে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ইন ক্রিমিনাল ম্যাটারস’ (MLAR) চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এর ফলে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে। এছাড়া অপরাধীরা যাতে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পালিয়ে বিচার এড়াতে না পারে, সেজন্য সন্ত্রাসবাদ ও আর্থিক অপরাধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর প্রত্যর্পণ ব্যবস্থা নিয়ে কথা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধিতে আধুনিক পুলিশিং ও অপরাধ তদন্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ এবং সংগঠিত অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের জন্য নিরাপদ যোগাযোগ মাধ্যম তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থন বৃদ্ধির আহ্বান জানান। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সাথে গঠনমূলক আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে পাকিস্তান ভূমিকা রাখতে পারে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার, চোরাচালান এবং দলিলাদি জালিয়াতি রোধে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে একটি খসড়া চুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের আলোকে বাংলাদেশ বর্তমানে এই খসড়াটি পর্যালোচনা করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সুপারিশকৃত তিনজন পাকিস্তানি বন্দির মুক্তির বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য প্রেরিত নথির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে এই ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST