আমানুল্লাহ আসিফ,নালিতাবাড়ী(শেরপুর) সংবাদদাতাঃ
মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা এবং অন্যতম মাধ্যম হলো লেখা।যে কথাগুলো কখনো বলা যায়না সেগুলো লিখে প্রকাশ করা যায়।দেশের উর্ধতন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজের বক্তব্য বলতে না পারলেও সেটা লিখে তাদের কাছে প্রদর্শন করা যায়।কিছু কিছু বিষয় যা সরাসরি বলতে মানুষ সংকোচ বোধ করে সেটিও কিন্তু লিখার মাধ্যমে খুব সহজেই বলা যায়।লেখা শব্দটা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে মিশে আছে।সুর্যোদয় থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত আমরা লেখার ব্যবহার করে থাকি।বাজারের তালিকা থেকে শুরু করে সাংসারিক বিভন্ন বিষয় আমরা লিপিবদ্ধ করে থাকি।
এই বিচিত্র ভুবনে বিভিন্ন পেশার মানুষ বসবাস করে তাদের প্রত্যেকেরই লেখার প্রয়োজন হয় এবং লিখেও দেশের সিংহভাগ মানুষ লেখালেখির কাজে নিয়োজিত।অনেকে লিখে পেশাগত কারনে,অনেকে লিখে শখের বশে আবার অনেকে লিখতে লিখতে এমন পর্যায়ে চলে যায় তখন তারা লেখার প্রতি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।শিশু শ্রেনী থেকে পিএইচডি পর্যন্ত লিখার প্রয়োজনীতা অপরিহার্য।কোন কিছু প্রকাশ করতে হলেই লিখতে হবে।একেক মানুষ একেক ধরনের লিখা লেখে যেমনঃ সাংবাদিক খবর লেখে।
,প্রাবন্ধিক প্রবন্ধ লেখে,সাহিত্যিক সাহিত্য লেখে,কবি কবিতা লেখে,গীতিকার গান লেখে,মুহাদ্দিস হাদীস লেখে ,মুফাচ্ছির তাফসীর লেখে,গল্পকার গল্প লেখে,প্রশ্নকর্তা প্রশ্ন লেখে,নাট্যকার নাটক লেখে,ইতিহাসবিদ ইতিহাস লেখে ,ব্যবসাহী হিসাব লেখে,ওকিল মামলা লেখে,পুলিশ তদন্ত লেখে,ডাক্তার রোগীর জন্য ঔষুধ লেখে এরকম করে প্রতিটি মানুষই কিছু না কিছু লেখে।
যারা কিছুই লেখে না বা লিখতে পারেনা তারা অন্ততপক্ষে নিজের নামটা হলেও লেখে।লেখা শব্দটা এমন এক প্রয়োজনীয় শব্দ যেটা ব্যক্তি থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত ব্যবহার্য।বাকীর খাতা থেকে শুরু করে জমির দলিল এমনকি রাষ্টের সংবিধানও হলো লিখিত।সুতরাং এককথা য় বলা যায় মানবসমাজে চলতে হলে লিখার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা অপরীসীম।