September 20, 2026, 10:11 pm
শিরোনামঃ
মিরপুরে সাংবাদিক প্রান্ত পারভেজের বাসায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত কিশোরগাং নিশ্চিহ্নে আল্টিমেটাম জঘন্য অপরাধের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধুপুরের পালবাড়ীতে আরিফের বিরুদ্ধে জমি দখলসহ নানা অভিযোগ, তদন্তের দাবি দ্বীনের খেদমত ও মানবিক সেবা’: সারাদেশে শাখা বিস্তারের ঘোষণা দিলেন ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদ রাজধানী থেকে উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক গ্রেপ্তার অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই : ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এমপি ঢাকার কেরানীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছ সাংবাদিক কী? গফরগাঁওয়ে ছেলেকে বেঁধে রেখে মাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ রাজধানীর ৮ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় স্কুল ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

Reporter Name

প্রথম বাংলা – ময়মনসিংহের ভালুকায় রাখিয়া সুলতানা রিয়া (১৫) নামে নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা বাটাজোর গ্রামে। নিহত রিয়া ওই গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদের মেয়ে।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাটাজোর দক্ষিণ পাড়ার আব্দুর রশিদের মেয়ে বাটাজোর বিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রি রাখিয়া সুলতানা রিয়া। এক বছর আগে পাশের সখিপুর উপজেলার মাওশা গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে সৌদি প্রবাসী রিপন মিয়ার সাথে রিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর ছেলে বিদেশ চলে গেলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামীর বাড়ির লোকজন রিয়ার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতণ শুরু করে।

এক পর্যায়ে নির্যাতন সইতে না পেরে গত ছয় মাস আগে রিয়া তার বাবার বাড়ি চলে আসে। সোমবার দুপুরে রিয়া স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পরই মুখোশধারী অজ্ঞাত এক যুবক তাকে পিছন থেকে চাপাতি দিয়ে কোপ দেয়। এসময় রিয়া জীবন রক্ষার্থে চিৎকার দিয়ে দৌড়াতে শুরু করলে ওই যুবক পিছন থেকে রিয়ার ঘার, পিঠসহ বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে পাশের ধান ক্ষেতে ফেলে যায়। খোঁজ পেয়ে পরে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন রিয়াকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রিয়ার মা মাজেদা খাতুন জানান, এক বছর আগে পাশের সখিপুর উপজেলার মাওশা গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে সৌদি প্রবাসী রিপন মিয়ার সাথে তার মেয়েকে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের পরদিনই তার স্বামী বিদেশ চলে গেলে ছয় মাস যেতে না যেতেই মেয়ের শাশুড়ী খতেমন নেছা তার মেয়ের উপর নির্যাতণ শুরু করে। এমনকি কয়েলের আগুণ দিয়ে হাত পুড়িয়ে দেয়া হয়। পরে তার মেয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসে।

কিন্তু স্বামীর বাড়ির লোকজন বার বার চেষ্টা করলেও শশুর বাড়ির নির্যাতণের ভয়ে সে যেতে রাজি হয়নি। এরই জের হিসেবে তার মেয়েকে স্বামীর বাড়ির লোকজন কুপিয়ে হত্যা করে তার মেয়েকে ধান ক্ষেতে ফেলে যায়। তিনি তার মেয়ের হত্যাকারীর বিচার দাবি করেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST