স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহে কর্মরত খাদ্য পরিদর্শক ও পরিদর্শক সমিতির ময়মনসিংহ বিভাগের সহ সভাপতি শাহ মাজহারুল ইসলাম কামাল”কে নিয়ে একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ময়মনসিংহের খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বার্থনেশী মহলের অযৌক্তিক চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় একটি সুবিধাভোগী ও স্বার্থনেশী মহল খাদ্য পরিদর্শক শাহ মাজহারুল ইসলাম কামালের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার শুরু করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পায়তারা করছে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই মহলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করছে। বেনামি ও মিথ্যা অভিযোগ করেছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যক্তি ও সংবাদকর্মীকে ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালানোরও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ধরনের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শাহ মাজহারুল ইসলাম কামাল। ময়মনসিংহ বিভাগ ও জেলার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এ অপপ্রচারকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ বিভাগীয় খাদ্য পরিদর্শক সমিতির মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় ও বিভাগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ময়মনসিংহ খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
একজন সরকারি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করলে অনেক সময় অসাধু ও সুবিধাভোগী মহলের স্বার্থে আঘাত লাগায় তাদের রোশানালে পরতে হয়। আর সেই স্বার্থে আঘাত লাগলেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়।
ময়মনসিংহের সচেতন মহল মনে করছে, কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা অন্য কোন মাধ্যম ব্যবহার করে যাচাই-বাছাই ছাড়া মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
সচেতন মহল ও ময়মনসিংহ বিভাগ ও জেলার খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবী, নিয়ে ছড়ানো অভিযোগ ও অপপ্রচারের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তার সম্মানহানি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুধীজনরা দ্রুত এসব মিথ্যাচার ও গুজব বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। সত্যকে আড়াল করে অপপ্রচারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা কোন অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।