April 23, 2026, 8:48 am
শিরোনামঃ
বোরো মৌসুমে ধান, চাল ও গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও মূল্য নির্ধারণ : ৩ মে থেকে ধান ও গম এবং ১৫ মে থেকে চাল সংগ্রহ শুরু ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে সহায়তা পেল শতাধিক পরীক্ষার্থী ভূমি মন্ত্রণালয়ের বড় পদোন্নতি: ৩২১ জন সার্ভেয়ার ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কানুনগো পদে পদোন্নতি ময়মনসিংহে বিএনপির নেতা বডি মাসুদ গ্রেফতার: ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা উদ্ধার এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি ৯৮ হাজার কোটি টাকা ময়মনসিংহে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের কারাদন্ড রাজধানীতে গার্মেন্টস কারখানায় এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে গুলি করার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ কে এই ‘সাংবাদিক তৈরির কারিগর’ কথিত সাংবাদিক আবুল হাসেম?“৫ম শ্রেণি পাশ করলেই জালে প্রতারিত অনেকে ঢাকার ৭ পাম্পে ‘ফুয়েল পাস’ বাধ্যতামূলক শান্তিপূর্ণ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে ডিএমপির কড়া বিধিনিষেধ, যা যা জানা প্রয়োজন
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

লক্ষীপুরে গ্রাম পুলিশের চাকরি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ জহিরে ন্যায় বিচারের দাবি 

Reporter Name

নিউজ ডেক্স। লক্ষীপুর সদর উপজেলার ১৯ নং তেওয়ারী গঞ্জ ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ পদে কার চাকরি কে করে। এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ নিয়োগ কালে ২০১৩ সালে ৯ ই সেপ্টেম্বর ১ নং ওয়ার্ড এর গ্রাম পুলিশ পদে নিয়োগ বোর্ড যোগ্য বিবেচিত হওয়ায় নিয়োগ বোর্ড সুপারিশ করে ধর্ম পুর গ্রামের নুর নবীর পুত্র মোহাম্মদ জহির কে।

এ ব্যাপার এ নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমির আবদুল্লাহ মোহাম্মদ মনজুরুল করিম, উক্ত তারিখে স্বাক্ষরিত নির্দেশে ও প্রদান করেন।

পরবর্তী ওই ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান হারুন, উক্ত নিয়োগ বোর্ডের সুপারিশ ও কাগজ পত্র পরিবর্তন করে তার পছন্দের প্রার্থী।
ধর্ম পুর গ্রামের আবদুল মান্নান এর পুত্র মোহাম্মদ সাইফুল কে অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে ২০১৪ সালে সাইফুলকে নিয়োগ দেওয়া হয় বর্তমান এ সাইফুল ইসলাম উক্ত পদে বহাল আছে।

নিয়োগ বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লিখিত নির্দেশ অমান্য করে, কি করে একজন চেয়ারম্যান যোগ্য ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো লোককে গ্রাম পুলিশ পদে চাকরী দেয়
বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ ব্যাপার এ ভোক্তভুগী জহির বলেন ২০১৩ সালে আমি নিয়োগ পাই, এবং দশমাস চাকরি করি। কিন্তু ২০১৪ সালে হারুন চেয়ারম্যান ও আমার ওয়ার্ডের মেম্বার টাকার বিনিময়ে আমার চাকরি নিয়োগ পত্র গোপন রেখে সাইফুল কে চাকরী দেয়। এ নিয়োগ এর বিরুদ্ধে আমি আদালতে মামলা করি। মামলার সুত্র সি আর মামলা নং ১১৫৬/২৪ইং প্রসেস নং ২৪৯৫ তাং ১৬/৭/২০২৪ইং।

আমি বর্তমান প্রশাসন ও আদালতের কাছে ন্যায় বিচার এর দাবি জানাই।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST