টপ রিপোর্টার নিজাম উদ্দিন খান
মান্দারি ফাতেমা উচ্চ বিদ্যালয় ২০২৩ শিক্ষা বর্ষের এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদ হাসান আরমান হত্যার প্রতিবাদে স্কুল শিক্ষার্থী এবং মান্দারি দাখিল মাদ্রা সার শিক্ষার্থীরা ২৫শে জানুয়ারি দুপুরে স্কুলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে ও মান্দার ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন করেছে।
এসময় শিক্ষার্থীরা মিছিল করে বলেন আমার ভাই কবরে খুনি কেন বাইরে তারা তাদের সহপাটি নাহিদ হাসানের হত্যাকারীদেরকে খুঁজে বের করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আবেদন জানান।শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ মানববন্ধনে এলাকার সাধারণ মানুষ শিক্ষক এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা ও চেয়ারম্যান রুবেল পাটোয়ারী শিক্ষার্থীদের সাথে অংশগ্রহণ করে একাগ্রতা প্রকাশ করেন। স্কুল সূত্র এবং নাহিদ হাসানের বড় বোন জানুয়ারি বিকেলে তার মা ও বাবা মান্দারী বাজারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রুবেল পাটোয়ারীর সাথে পারিবারিক ঝামেলা বিষয়ে দেখা করতে গেলে তারা রাত্রে নয়টা পর্যন্ত মান্দারী বাজারে ছিলেন। দশটার দিকে তারা বাড়িতে গিয়ে নাহিদ হাসান আরমানের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার দিলে নাহিদের ছোট ফুফু, ঘাস কেটে তাকে নামায়।
স্থানীয়ভাবে জানা যায় নাহিদ বিকেলে ফুটবল খেলা এবং সন্ধ্যার পরে নিজে ডিম ভাজি করে ভাত খেয়ে ছ। তারপর টেবিলের খাতা পত্র দেখে জানা যায় সন্ধ্যার পরে সে স্কুলের হোমওয়ার্ক করেছিল। তারা বলেন তার ঝুলন্ত লাশের আত্মহতার কোন চিনলো খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারা এটাকে পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করেছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন লাশের ময়না তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে আসল সত্য জানা যাবে। তারা বলেন নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন মামলা করা হয় নাই। তারা এটাকে অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে তদন্ত করে করছেন। তবে নাহিদের মৃত্যু নিয়ে এলাকায় সন্দেহের দুম্রের জাল সৃষ্টি হয়েছে। তার বাবা মায়ের আচরণ নিয়েও সুন্দর জাল দেখা দিয়েছে সাধারণ জনগণের মাঝে। তারা প্রথমে এটিকে হত্যাকান্ড বললেও বর্তমানে তারা এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোন কিছু বলতে অস্বস্তি জানাচ্ছে।