July 1, 2026, 1:31 am
শিরোনামঃ
দেশের সব তেল ডিপোতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকবে বুধবার পলাশবাড়ী ২ দফা দাবিতে ২১টি সাব পোস্ট অফিস কর্মচারী দের কর্মসূচি, দাবি না মানলে ৬ জুলাই থেকে পূর্ণ কর্ম বিরতির হুঁশিয়ারি সকল পুলিশ সদস্যকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কর্তব্য পালন করতে হবে: পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ কক্সবাজার বাস টার্মিনালে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ১০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ,স্ব মহিমার শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় জাজিরায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত এনবিআরের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে প্রান্তিক কৃষক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ জানেন কি? ইসলামপুর খাদ্য গুদামে অনিয়ম ও দুর্নীতি
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় ফেরীআলার যাবজ্জীবন

Reporter Name

নূর মোহাম্মদঃ

লক্ষ্মীপুরে আবু ছায়েদ নামে এক দিনমজুরকে হত্যা র ঘটনায় ফেরিওয়ালা মো. ইয়াছিনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও একবছ রের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,চাচাতো শ্যালিকাকে তালাক দেওয়াকে কেন্দ্র করে ১৯৯৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভায়রা আবু ছায়েদকে কাঠ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন ইয়াছিন। এরপর থেকে তিনি পলাতক। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেন বিচা রক।দণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াছিন নোয়াখালীর চাটখিল উপজে লার দক্ষিণ দেউলিয়া গ্রামের মৃত আতিক উল্যার ছেলে। তিনি পেশায় কাপড়ের ফেরিওয়ালা ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়,আবু ছায়েদ লক্ষ্মীপুর সদ র উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের মৃত মনসুর আলমের ছেলে। পেশায় তিনি দিনমজুর ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াছিনের চাচাতো শ্যা লিকা ছায়েদের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। ছায়েদের প্রথম সংসারে থাকা সন্তানকে লালনপালন নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত ঝগড়া লেগে থাকতো। এতে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেন।

বিয়ে বিচ্ছেদের এক বছর পর ১৯৯৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ছায়েদ তাদের প্রতিবেশী খোরশেদ আল মের বাড়িতে কাজ করতে যান। ওইদিন দুপুরের দিকে ওই বাড়িতে ফেরি করে কাপড় বিক্রি করতে আসেন ইয়াছিন। এতে শ্যালিকাকে তালাক দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ইয়াসিন তার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে ইয়াছিন ক্ষিপ্ত হয়ে একটি কাঠ দিয়ে ছায়েদের মাথায় আঘাত করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন পর ছায়েদের মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় ইয়াছিনকে স্থানীয়রা আটক কর লেও পরে তিনি পালিয়ে যান।

ঘটনার ২০ দিন পর ছায়েদের ছোট ভাই শাহ আলম বাদী হয়ে ইয়াছিনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলা করেন। একই বছরের ৩১ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআ ই) নেপাল রঞ্জন বড়ুয়া আদালতে ইয়াছিনের বিরু দ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষী দের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ইয়াছিনকে যাবজ্জী বন দণ্ড দেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST