August 18, 2026, 3:58 pm
শিরোনামঃ
ঢাকা বিভাগে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা ও অনলাইন জিআর এস সফটওয়্যার সংক্রান্ত দিনব্যাপী কর্মশালা সফল ভাবে সম্পন্ন নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা বাগান শ্রমিকদের মধ্যে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ কার্যক্রমের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লামায় নিজ দখলীয় জমির খতিয়ান সৃজন নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান লালমনিরহাট আদিতমারীতে ৩৮ লাখ টাকার খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নোয়ায়াখালীতে অশ্রসহ দুই আসামী গ্রেফতার টাংগাইল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ এর উদ্বোধন ঢাকা বিভাগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভাসমূহ সফলভাবে অনুষ্ঠিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

লামায় নিজ দখলীয় জমির খতিয়ান সৃজন নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Reporter Name

ইকরামুল হক- বিশেষ প্রতিনিধি:

বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ হাইদারনাশি এলাকায় দীর্ঘদিনের দখল ও পুরোনো রেকর্ডভুক্ত ২ একর ২৫ শতক জমি নিয়ে নতুন করে খতিয়ান সৃজনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক ইউপি সদস্য সৈয়দ আহাম্মাদ সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগকারী সৈয়দ আহাম্মাদের দাবি, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২৮৬ নম্বর মৌজার হোল্ডিং নং-৯০ (গ্রোভ)-এর অন্তর্ভুক্ত ১৯৭৯-৮০ সালের রেকর্ড ও আর. হোল্ডিং অনুযায়ী ২ একর ২৫ শতক তৃতীয় শ্রেণির জমি তাঁর নামে রেকর্ডভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। জমিতে তাঁর রোপণ করা আম, কাঁঠাল, কমলা ও বিভিন্ন বনজ-ফলজ গাছ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তবে তাঁর অভিযোগ, পরবর্তীতে বশির আহমদ ও এহেছানুল হক নামে একই জমি নিয়ে নতুন করে খতিয়ান সৃজন করা হয়েছে। খতিয়ান সৃজনের সময় ওই ব্যক্তিদের দখল ও বাড়িঘর থাকার কথা উল্লেখ করা হলেও সরেজমিনে গিয়ে সেখানে কোনো বসতঘর বা বাড়িঘরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

সৈয়দ আহাম্মাদের আরও অভিযোগ, খতিয়ান সৃজনের আগে তাঁকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং তাঁর বক্তব্যও নেওয়া হয়নি।এমনকি সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তার সরেজমিন তদন্ত নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর দাবি, সরেজমিনে প্রকৃত অবস্থা যাচাই না করেই অফিসে বসে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নতুন খতিয়ান সৃজন করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, বশির আহমদ ও এহেছানুল হক/কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।তাঁর প্রশ্ন—অন্য উপজেলার বাসিন্দা দের নামে ফাঁসিয়াখালী মৌজায় তাঁর পুরোনো রেকর্ডভুক্ত ও দখলীয় জমির খতিয়ান কীভাবে সৃজন করা হলো?

সৈয়দ আহাম্মাদ বলেন, “আমার নামে পুরোনো রেকর্ড রয়েছে এবং জমিটিও দীর্ঘদিন ধরে আমার দখলে। সেখানে আমার বসতবাড়ি ও রোপণ করা বিভিন্ন গাছ রয়েছে। আমাকে কোনো নোটিশ না দিয়ে বা বক্তব্য গ্রহণ না করে কীভাবে অন্যের নামে খতিয়ান সৃজন করা হলো—এটাই আমার প্রশ্ন। আমি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।”

তবে খতিয়ান সৃজনের প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ও করেছেন সৈয়দ আহাম্মাদ। এ অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নথি রয়েছে কি না,তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজ ন। একইভাবে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা বা যাদের নামে নতুন খতিয়ান সৃজন হয়েছে, তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

স্থানীয়দের মতে,জমিটির প্রকৃত মালিকানা ও খতিয়ান সৃজনের বৈধতা নির্ধারণে ১৯৭৯-৮০ সালের পুরোনো রেকর্ড,আর. হো ল্ডিং,নামজারি ও খতিয়ান সৃজনের নথি,দখলের বাস্তব অবস্থা, সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের দলিলপত্র যাচাই করা জরুরি।

সৈয়দ আহাম্মাদ এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত,ভূমি রেকর্ড পুনঃযা চাই, সরেজমিন পরিদর্শন এবং প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST