August 30, 2026, 9:50 am
শিরোনামঃ
জনগণকে সাথে নিয়ে অপরাধ দমনের নির্দেশ : আইজিপি খাদ্যের মজুদ এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহই মূল চ্যালেঞ্জ : খাদ্যমন্ত্রী গুম বিষয়ক প্রস্তাবিত আইন ভিকটিমের সরাসরি ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম করবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমানকে আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ট্রাস্টের উপদেষ্টা মনোনীত করে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন বেগমগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার নির্মাণকাজে বাধা ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, আলী আকবরের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি গণপূর্তের হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে বিল আটকে অর্থ দাবির অভিযোগ, তদন্তের দাবি সেনবাগে মাদরাসা শিক্ষার’মান্নোয়নে মতবিনিময় সভা ও শিক্ষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে জামিরতা বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

শুরু হলো অগ্নিঝরা মার্চ

Reporter Name

নিজস্ব ড্রেক্স:

মহান স্বাধীনতার মাস মার্চ। বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষণার মাস। আনুষ্ঠানিক সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরুর মাস। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে অধিকার অর্জনের অগ্নিঝরা মাস।মার্চের প্রথম দিন আজ বুধবার। এদি ন বাঙালির রাজনৈতিক আন্দোলন পরিণতির দিকে যায় ১৯৭১ সালে। ওই বছরের মার্চ মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। বাংলার আন্দোলন-সংগ্রামের ঘটনাবহুল ও বেদনাবিধুর স্মৃতি বিজড়িত ১৯৭১-এর এই মার্চ মাস,একইসঙ্গে গৌরব ও অর্জনেরও মাস এই মার্চ।একাত্তরের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতার স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বে এসে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।

দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যু দয় ঘটে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা হলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল একাত্তরের ১ মার্চ থেকেই।১৯৭১ সালের ১ মার্চ। সারা দেশই তখন অগ্নিগর্ভ। পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহি য়া খান এদিন বেতার ভাষণে ৩ মার্চের গণপরি ষদে র অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের একটি প্রধান দল পিপলস পার্টি এবং অন্য কয়েকটি দল ৩ মার্চ অনুষ্ঠেয় জাতীয় পরিষদে র অধিবেশনে যোগদান না করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’বেতারে এ ঘোষ ণা প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা প্রচণ্ড বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।

এ সময় তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়ামে (বর্তমান বঙ্গব ন্ধু স্টেডিয়াম) পাকিস্তান বনাম বিশ্ব একাদশের ক্রিকেট খেলা চলছিল। ইয়াহিয়া খানের ওই ঘোষণা র সঙ্গে সঙ্গে দর্শক খেলার মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে আসে । ততক্ষণে হাজারো মানুষ পল্টন-গুলিস্তানে বিক্ষো ভ শুরু করে দেন। সেই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত স্বাধী নতার আন্দোলনে রূপ নেয়।সেদিন মতিঝিল-দিলকু শা এলাকার পূর্বাণী হোটেলে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ক্ষুব্ধ ছাত্ররা সেখানে গিয়ে প্রথমবারের মতো স্লোগান দেন,বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো,বাংলাদেশ স্বাধীন করো’। ছাত্ররা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে র কাছে কর্মসূচি ঘোষণার দাবি জানান। বিক্ষোভ-স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকাসহ গোটা দেশ।

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে পূর্বাণী হোটেলেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাইরে চলছিল বিক্ষুব্ধ বাঙালির কঠোর কর্মসূচির দাবিতে মুহুর্মুহু স্লোগান। বৈঠক শেষে বঙ্গবন্ধু ২ ও ৩ মার্চ তৎকালীন পাকিস্তানে সর্বাত্মক হরতালের ডাক এবং ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসভার ঘোষণা দেন।সেই শুরু,এরপর ১ মার্চ পেরিয়ে ২ মার্চ। একে একে পার হয় ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ২৫টি দিন। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালায়, শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। এই পথ ধরে বাংলার দামাল ছেলেরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনে একটি স্বাধীন দেশ—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST