সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবি;
কুড়িগ্রামের উলিপুরের গোড়াই শ্যামপুর দুর্গাপুর ইউনিয়নে মোঃ জালাল উদ্দিন(৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে দ্বিতীয় স্ত্রীর গুন্ডা বাহিনী দিয়ে গুম করার চেষ্টা করেছেন।
উলিপুর উপজেলা দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোড়াই শ্যামপুরে এ ঘটনা ঘটে।
তিনি পেশায় একজন কৃষক।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, উলিপুর উপজেলার ৪ নং পান্ডুল ইউনিয়নের উত্তর পান্ডুল পীরবাগ গ্রামের মৃত্যু হাচু ব্যাপারী মেয়েকে জালাল উদ্দিন দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
গত (৭ জুলাই) তারিখ বড় বউ শাহানাজ বেগমের সাথে ছোট বউয়ের সাথে ঝগরা লাগলে,
স্বামী জালাল উদ্দিন দ্বিতীয় স্ত্রী শরিফাকে একটি চড় -থাপ্পর মারেন।
ওই রাত প্রায় সাড়ে এগারো টায় দ্বিতীয় স্ত্রী শরিফা তার বাবার বাড়িতে খবর দেন। খবর পেয়ে তার ভাই ব্রাদার গণ তাদের ১০/১২ জন গুন্ডা বাহিনী দিয়ে জালাল্ উদ্দিনকে ঘরের ভিতর থেকে ডেকে বের করে মুখে কাপর বেঁধে বেধুম মরপিট করেন এবং তারা বলেন, একে বস্তায় ভরে নিয়ে গিয়ে বামনী নদীতে ডুবিয়ে রাখা হবে।
প্রথম স্ত্রী শাহানাজ বলেন, কেউ কেউ ঘরের আসবাব পত্র বস্তায় ভরতে থাকে কেউ বা আমার স্টীলের বাক্সের তালা ভেঙ্গে আমার টাকা পয়সা নিয়ে যায়
আমার পড়নের কাপড় পর্যন্ত টানাহাচরা করে আমার গলায় থাকা সোনার চেনটিও ছিঁড়ে নিয়ে যায়।
আমি চিৎকার করলে এলাকাবাসী দৌঁড়ে আসে এবং এ দৃশ্য দেখে।
পরে স্বজনরা জালাল উদ্দিনকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতাল জরুরি বিভাগের কতৃপক্ষ।
দ্বিতীয় স্ত্রী শরিফা বেগমের গুন্ডাবাহিনী দিয়ে নির্যাতন শুধু এটিই প্রথম নয়।
এর আগে আরও কয়েকবার হয়েছে।
এবারের বিষয়টি নিয়ে প্রথম স্ত্রী মোছাঃ শাহানাজ বেগম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
তাদের দাবী আমরা বাড়ি থেকে বের হতে পারছিনা। দুর্বিত্তরা আমাদের উপর আরও হামলা করবে তারা প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছেন। আমার আকুল আবেদন
প্রশাসনের কাছে আমাদের নিরাপত্তার চাই।
জালাল উদ্দিন বলেন,
আমার বেঁচে থাকার কোন ভরসা পাইনা আবারও ওই দুর্বিত্তরা আমাকে ঘর থেকে বের করে মেরেই ফেলবে তাই
আমরা নিরাপত্তা চাই
আমাদের অভিযোগ থানায় দেয়া আছে তাই সঠিক তদন্তের মধ্য দিয়ে এর সুষ্ঠু বিচার চাই । এখন পর্যন্ত আমরা কি করে নিশ্চিত থাকবো তার কোন আশা ভরসা পাইনা।