সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবি:
আগামী ২০২৪ এর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যেই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন,এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূলের পরিচ্ছন্ন, কর্মীবান্ধব এবং জনপ্রিয় নেতাদের বিষয়ে বিবেচনা করবেন এবং তাদেরই প্রাধান্য দেবেন। যারা অনেকবার নির্বাচন করেছেন, তারা অনেকেই বাদ যেতে পারেন এবার এবং যারা বিভিন্ন অনিয়ম, অপকর্ম ও দুর্নীতিতে একাকার হয়ে গেছেন, তাদেরকে ব্লাক লিস্টে রেখেছেন হাইকমান্ড। সুবিধাবাদীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে।
সেক্ষেত্রে দলের সবচেয়ে অনুগত,আন্তরিক,উদ্যোগী, পরিশ্রমী,নিষ্ঠাবান,ত্যাগী,কর্মীবান্ধব এবং ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করবে আওয়ামী লীগ ও হাইকমান্ড। বাংলাদেশ স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বিনির্মানের স্বপ্নচারী,মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সপক্ষের মানুষের আস্থার বাতিঘর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আও য়ামী লীগ আবারও যে সরকার গঠন করবে,;; তাতেও কারো কোনো,দ্বিমত,বা কোনপ্রকার কিঞ্চিত সন্দেহ থাকারও সুযোগ নেই। আর এরই অংশ হিসেবে অনেকেই আছেন, যারা যোগ্য প্রার্থী,তারা রীতিমতো মাঠে নামতে শুরু করছেন। সেজন্য এমপি হওয়ার বাসনায় এবং জনগণের সেবক হওয়ার লক্ষ্যে অনেক প্রার্থীদের মাঝেও কিন্তু স্বপ্নেরা ডানা বেঁধেছে,
আবার অনেকেই আছেন আত্মবিশ্বাসেও টইটম্বুর আওয়ামী লীগের অনেক নেতারাই আছেন, যারা জাতির জনক বঙ্গ বন্ধুর আদর্শের চেতনায় রাজনীতি করে আসছেন ও নিজে কে বিকিয়ে দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে
এবং বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একনিষ্ঠভাবে আওয়ামী লীগের সকল কর্মকাণ্ড, সভা,মিছিল-মিটিং,আন্দোলন এবং সংগ্রামে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তি আছেন,যারা রাজনীতি করেছেন ঠিকই কিন্তু কখনো ক্ষমতার অপব্য বহার করে কোনো রাজনৈতিক ফায়দা লুটেননি।
নিঃস্বার্থভাবে আওয়ামী লীগকে ভালবেসে রাজনীতি করেছেন। আর তাদেরই মধ্যে একজন হলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কুড়িগ্রাম- ২৭ আসন নং ৩-সাধারণ মানুষের হৃদয়ে র স্পন্দন,এবং প্রাণের নেতা,কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য,বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ,বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনাব,আলহাজ্জ্ব মোঃ আমজাদ হোসেন তালুকদার সাবেক এমপির সু-যোগ্য পূত্র মোঃ সাজাদুর রহমান (সাজু) তালুকদার।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী হিসেবে কুড়িগ্রাম-২৭,আসন নং- ৩, থেকে অনেকের নাম আলোচনায় আসলেও বিতর্কিত আছেন কেউ। সেক্ষেত্রে জনকল্যাণমূলক উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা-মানবতার ফেরিওয়ালা, প্রাণপ্রিয় মোঃ সাজাদুর রহমান সাজু তালুকদার এর নাম উঠেছে আলোচনায় ও যুক্তিতে সবার আগে। জনমত বাড়ছে তার দিকেই বেশি।
বিশেষ করে সামাজিক কর্মকান্ডে ও মানবিক সেবায় তার উজ্জ্বল স্বাক্ষরের কারণে সবার প্রশংসার পাত্রে পরিণত হয়েছেন তিনি। জানা গেছে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলে তার দলীয় ও সাংগঠনিক অনুগত নেতাকর্মী এবং সমর্থকগোষ্ঠি নানা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি কুড়িগ্রাম-২৭, আসন নং -৩ উপজেলা উলিপুর থেকে নৌকার মাঝি হতে চান, জনগণও তাকে চায়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-২৭, আসন নং -৩ থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ তরুণ দানবীর সমাজসেবক,এবং রাজনীতিবিদ,জনগণের আশা। তিনি কুড়িগ্রাম-২৭,আসন নং- ৩ এর নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন এবং এর পাশাপাশি অনেকদিন ধরে প্রতিনিয়তই মাঠে সাক্ষাৎসহ নানা কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে নিজেকে জানান দিচ্ছেন। যেখানেই যাচ্ছেন-দলমত নির্বিশেষে জনসাধারণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। ইতিমধ্যে নিজেকে আলাদা করে চিনাতে সক্ষম হয়েছেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণ নেতা- সাজাদুর রহমান সাজু তালুকদার
(জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য) দীর্ঘদিন যাবত কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় এলাকার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায়,অলিতে-
গলিতে গিয়ে আগাম নির্বাচনী গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি এবং তার কর্মী ও সমর্থকরা পাশাপাশি গরীব, দুঃখী, অসহায়, দুস্থ এবং অবহেলিত মানুষের খোঁজ খবর নিয়ে সাধ্যমত সাহায্য-সহযোগীতা করছেন তিনি। তাছাড়া এলাকার উন্নয়নে তার নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ অর্থসহ বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছেন তিনি। আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেলে উলিপুর বাসীর জন্য আরো বেশি সেবামূলক কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
নির্বাচনের ব্যাপারে তিনি বলেন,আমিও সেভাবেই নিজেকে সঁপে দিতে চাই এবং জনসেবায় কাজ করতে দৃঢ়প্রত্যয়ী। তিনি আরো বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতোপ্রোত ভাবে যুক্ত। আমরা রাজনৈতিক পরিবারের লোক হওয়ায় আমাদের নিজস্ব ভোট ব্যাংকও রয়েছে।
আমি যেখানেই যাচ্ছি,সেখানেই জনসাধারণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি,সবাই আমাকে দোয়া ও সমর্থনের পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়ী করারও প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন।
আমি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেলে কুড়িগ্রাম-৩,২৭ নং আস নের জনগণকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট এলাকা উপহার দিবো এবং নৌকাকে বিজয়ী করে এ আসনটি আমার অভিভাবক,মানবতার মা,বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে উপহার দিয়ে ধন্য হতে চাই। তিনি আরও বলেন,আশা করি আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবেন।