March 15, 2026, 8:38 am
শিরোনামঃ
সাংবাদিক ও পুলিশ একে অপরের পরিপূরক – পুলিশ সুপার ময়মনসিংহ পতেঙ্গায় স্ত্রীকে হত্যার পর শিশুকে নিয়ে থানায় হাজির ঘাতক স্বামী নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও বঙ্গবন্ধু জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীনদেশ পেতাম না ———ড.একে আব্দুল মোমেন হাকিকুল ইসলাম খোকন, “কোন অপরাধী ছাড় পাবে না “আলহাজ্ব মনজুর এলাহী এমপি নরসিংদীর শিবপুরে পরিস্কার, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন রাজধানীতে মেসার্স প্রাণমুন্সী এন্টারপ্রাইজ আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মা্হফিল অনুষ্ঠিত নোয়াব সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা ৫ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক হলেন যারা ঈশ্বরগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৪ বস্তা চাল জব্দ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ডিবি কার্যালয় থেকে বেড়িয়ে মামুনুল হক যা বললেন

Reporter Name

প্রথম বাংলা – ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় থেকে বের হয়েছেন হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (১৮ মে) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান তিনি।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নেওয়ার জন্য তিনি ডিবি কার্যালয়ে এসেছিলেন।

ডিবি সূত্রে জানা যায়, তিনি যখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তখন তার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছিল। জব্দ করা মোবাইল ফোনটি ফিরে পেতে তিনি ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে এসেছিলেন।

তবে তার মোবাইলটি ডিবি হস্তান্তর করেছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। খবর পেয়ে হেফাজতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা রিসোর্টে গিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করেন মামুনুল হক।

১৫ দিন পর ১৮ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা থেকে মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ পরে ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। তার সঙ্গে রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়া নারী। যদিও ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক,এরপর ওই মাসেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ অর্ধশতাধিক মামলা হয়। পরে সেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ,গ্রেপ্তারের পর থেকে এসব মামলায় কারাগারে ছিলেন মামুনুল হক,গত ৩ মে সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি।

ডিবি কার্যালয় থেকে বের হয়ে যা বললেন মামুনুল হক
হেফাজত ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হক প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি ডিবির কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নেওয়ার জন্য তিনি ডিবি কার্যালয়ে এসেছিলেন।

মামুনুল হক বলেন, আমাকে যখন গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তখন মামলার আলামত হিসেবে আমার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছিল।সেই মোবাইল ফোনটি নিতে আমি আজ ডিবি কার্যালয়ে এসেছি।

ডিবি কার্যালয়ে মামলা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাকে ডিবি ডাকেনি এবং মামলা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করিনি। মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা আমার মোবাইল ফোনটি নিতে আমি ডিবি কার্যালয়ে এসেছিলাম।

মোবাইল ফোনটি তিনি ফেরত পেয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই হেফাজতের এই নেতা গাড়িতে উঠে যান।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। খবর পেয়ে হেফাজতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা রিসোর্টে গিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করেন মামুনুল হক।

১৫ দিন পর ১৮ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা থেকে মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন তার সঙ্গে রিসোর্টে অবরুদ্ধ হওয়া নারী। যদিও ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক। এরপর ওই মাসেই দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহসহ অর্ধশতাধিক মামলা হয়। পরে সেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর থেকে এসব মামলায় কারাগারে ছিলেন মামুনুল হক।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST