October 23, 2026, 4:28 pm
শিরোনামঃ
শারদীয় দুর্গাপূজার সমাপ্তি: ডিএমপির কঠোর নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণ বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জন কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব আবদুল খালেক দুই দিনের সরকারি সফরে নেত্রকোণা” সমৃদ্ধ ও আধুনিক ‘স্মার্ট-দিঘলী’ গড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আপন প্রত্যয় চট্টগ্রামে চিনি বোঝাই কার্ভারভ্যানে ছিনতাইঃ বান্দরবানের লামা থেকে ১৪৪ বস্তা চিনি উদ্ধার রায়পুরে ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ হাওলাদার রাজারহাট সদর ইউনিয়নে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন শাহাদাত হোসেন লাল ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমী কঠোর নিরাপত্তায় নির্বিঘ্ন প্রতিমা বিসর্জন শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন পর্যবেক্ষণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় মানিকগঞ্জের সম্প্রীতির সুনাম ধরে রাখতে হবে :খাদ্যমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

পরিচয়ের আড়ালে বহুরুপী এক চরিত্র (দীপক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক, ০৩ নং গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপি

Reporter Name

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

রাজনৈতিক অঙ্গনে মাঝে মাঝে এমন কিছু চরিত্র দেখা যায়, যাদের অতীত এবং বর্তমানের মধ্যে থাকে বিরাট পার্থক্য। দীপক মন্ডল তেমনই একজন। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অশিক্ষিত, ভন্ড, প্রতারক, মিথ্যাবাদী ও চাপাবাজ দীপক মন্ডল প্রথমে মানবপাচারকারি(দালাল),এরপর ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা এবং বর্তমানে বিএনপির সাধারন সম্পাদক। তার এই ধারাবাহিক পেশা পরিবর্তনে এলাকায় নানাবিধ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

দীপক মন্ডল সম্পর্কে এলাকায় খোঁজ নিতে গেলে তার ভয়ে কেহই মুখ খুলতে নারাজ। পরে নাম ও ছবি প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, দীপক মন্ডলের কর্মজীবন শুরু হয় মানব পাচারের মাধ্যমে। দেশের দক্ষিণ -পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ভারতে লোক পাচার করতো।স্থানীয় সুত্রমতে, তার বিরুদ্ধে মানব পাচারের একাধিক অভিযোগ থাকলেও রাজনৈতিক প্রভাবে তাহা কখনো আলোর মুখ দেখেনি।

দীপক মন্ডলের রাজনৈতিক উত্থান ঘটে মানব পাচার চক্র থেকে বেরিয়ে আসার পরে। তিনি দ্রুতই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। প্রথমে ছোট পদে পেলেও, সেই প্রভাবে সাধারণ মানুষকে টিউবওয়েল, চাকরি এমনকি পুলিশের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি শুরু করেন। প্রভাব খাটিয়ে গুয়াধানা সিলনা উচ্চ বিদ্যালয়ের সদস্য হয়ে নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে প্রায় ৭০-৮০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে গুয়াধানা গ্রামের একজন চাকরি প্রার্থী বলেন, আমাকে চাকুরী দেবার কথা বলে দীপক মন্ডল ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা নেয়। আমার চাকুরী বা টাকা কিছুই পাইনি। ফলে, দীপক মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সামাজিক অভিযোগ উঠলেও দলীয় প্রভাবে চাপা পড়ে।

 

রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের সঙ্গে তাল মিলাতে দীপক মন্ডলের রাজনৈতিক আনুগত্যেও আসে পরিবর্তন। গতি ২৪/০৬/২০২৫ তারিখের গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সন্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ না করেই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদকের পদে বাগিয়ে নেয়। পদে পেয়েই দীপক মন্ডল আবার চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি শুরু করেন। ফলে গোপালপুর ইউনিয়ন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নেতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে আদর্শের চেয়ে ক্ষমতা ও ব্যাক্তিগত সুবিধা অর্জনই মূখ্য হয়েছে।

 

এ ব্যাপারে গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দীপক মন্ডল কেন বা কিভাবে পদে পেয়েছে তা আমার জানা নেই। আমার অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন (যা বলবে তা লিখতে হবে)
প্রশ্ন ১. দীপক মন্ডল আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ না করলেও তাকে কেন গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক করলেন?
২. দীপক মন্ডলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ আছে। আপনি এব্যাপারে কি ভেবেছেন।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST