সুলতানা রাজিয়া সান্ধ্য কবিঃ মুক্তিযুদ্ধ ৭১ সংবাদ পত্রপত্রিকা সিনিয়র রিপোর্টার।
ছেলেটি কুড়িগ্রাম শহরের শাপলা মোড়ের “হোটেল জান্নাত” এর পরিছন্ন কাজ করছে । সে অষ্টম শ্রেনিতে পড়ে।তার নাম আশিকুর( ১৬)। এই শিশুটি যেখানে খেলাধুলা করার কথা সেখানে এখন সে হোটেলে কাজ করছে।তার মা বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে তাকে ছেড়ে ছোট বেলায় অন্যত্র চলে যায়। বাবা পোষাক কারখানায় কাজ করে ঢাকায়।
ছেলেটি বড় অসহায় সে দাদীর কাছে থাকে। ৩শ টাকার মজুরীতে দিন মজুরের কাজ করে। আশিকুরের কোন ভাই বোন নাই। সে দিনে হোটেলের কাজ করে রাতে লেখাপড়া করে।তার বড় আশা পড়াশোনা করে অনেক বড় হবে।কিভাবে তার এ সপ্ন পূরণ হবে।দাদী বৃদ্ধ, শিশু আশিকুর বৃদ্ধ দাদীকে হোটেল পরিছন্নতার কাজ করে দুজনের পেট বাঁচায়।
তার পক্ষে কিভাবে লেখাপড়া করা সম্ভব।
সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে বাকি জীবনের চলার পথ টুকু পেরিয়ে যাওয়া সম্ভব।
আশিক চায় স্কুলে পড়াশোনা করতে।এ জন্য সমাজের বিজ্ঞবান কিংবা বিত্তবান দের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
চোখে মায়া মায়া ভাব নিয়ে চেয়ে থাকে সকলের দিকে কি যেন বলতে চায় সে।তার ভিতরে মায়া কান্না অবিরাম ভাবে প্রবাহিত।দেখলে মনে হয় তার আপনজন বলতে কেউই নেই।জানতে চাইলে সে ঝরঝর করে বলতে থাকে তার জীবনের ইতিহাস।তার আশা পুরণের পৃথিবীতে কেউ নেই।
একটি কথা না বললেই নয়, দাম্পত্য কলহে যাদের সংসার ভাঙ্গে যদি সন্তান কারো থাকে, তাহলে সন্তানের কথা ভাববেন। দেশে এরকম অনেক সন্তান আছে তারা বড় অসহায়। আমার কথা হলো যদি বিবাহ হয় তাহলে বিচ্ছেদ বা কেনো হবে। বিবাহ হওয়ার আগে কষ্টি পাথরে দেখভাল করে বিবাহ করা উচিত। আমরা শপদ করি বিবাহ বিচ্ছেদ কে পরিহার করি