October 10, 2026, 11:00 pm
শিরোনামঃ
ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্য ও অসদাচরণে অতিষ্ঠ সেবাগ্রহীতারা ১৯ মিনিটে: প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পরীক্ষা স্থগিত, ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থীরা সেনবাগে নোবিপ্রবিতে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত অটো রিকসার দুর্ঘটনাকে পুঁজি করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ মফিজ উল্লাহ ও মুক্তা বেগমের বিরুদ্ধে নরসিংদীর শিবপুরে মাদক সম্রাট ইমন বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য সহ গ্ৰেফতার ১ জেলা গোয়েন্দা শাখা ময়মনসিংহ ডিবি’র অভিযানে ইয়াবা -হেরোইন সহ দুই মাদক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ৬ নং চরশাহী ইউনিয়ন, বিএনপির মহিলা দলের সম্মেলন সম্পুর্ন খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্যের মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে : খাদ্যমন্ত্রী শাহজাদপুরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ দেশে চাহিদার তুলনায় বেশি খাদ্য মজুদ আছে : খাদ্যমন্ত্রী
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রকৌশলীর জমি-ফ্ল্যাট-গাড়ির পাহাড়: দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দায়িত্ব পালন করছেন, আর এই সময়ে নিজের নামে এবং স্ত্রীসহ স্বজনদের নামে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়িসহ অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ময়মনসিংহের স্বদেশ প্রোপার্টিজ লিমিটেডের প্লট নম্বর ২৫, ২৭, ২৯, ৩১, ৩৩, ৩৫, ৩৭, ৩৯, ৪১, ৪৩, ৪৫, ৪৭, ৪৯, ৫১, ৫৩, ৫৫, ৫৭, ৫৯ ও ৬১ সহ মোট ১৮টি জমি তার পরিবারের মালিকানাধীন। এছাড়াও নগরীর কালিবাড়ি মোড় সংলগ্ন টাউন হল রোডে ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাট, গাঙ্গিনারপাড়, টাউন হল, চরপাড়া, আকুয়া ও বলাশপুরে একাধিক প্লট ও ভবন রয়েছে।

শুধু জমি-বাড়ি নয়, আজিজুর রহমানের পরিবারের নামে রয়েছে ৩টি বিলাসবহুল গাড়ি। গাড়ির মালিকানা কাগজে স্ত্রী ও শ্যালক-ভগ্নিপতির নামে থাকলেও এগুলো প্রকৌশলীর নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

সরকারি চাকরিতে থেকেও এত বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অর্থনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ঠিকাদারদের পক্ষ নেন, সুবিধা দেন এবং এর বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার সম্পদের পরিমাণ শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলেই স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে।

অভিযোগ রয়েছে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ প্রকল্পগুলোর বাজেট বাড়াতে গিয়ে আজিজুর রহমান পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়েছেন এবং প্রতি প্রকল্পে মোটা অঙ্কের কমিশন নিয়েছেন। এ বিষয়ে কেউ কথা বললে তাকে বদলি বা হুমকি দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পরিবার কিছু ব্যবসা করছে এবং সেখান থেকেই এসব সম্পদ এসেছে।

এদিকে স্থানীয়দের একাংশ দুর্নীতির এই পাহাড়ের পেছনে প্রকৃত উৎস অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা মনে করেন, এই প্রভাবশালী প্রকৌশলী ও তার নেটওয়ার্ক ভেঙে ফেলা না গেলে ময়মনসিংহ সিটির উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আরও বড় ধরনের দুর্নীতির ফাঁদে পড়বে।
দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। রয়েছে বহাল তবিয়তে।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST