কাজিপুর প্রতিনিধিঃ– রিপন আহসান ঋতু, তরুণ কবি ও কথাসাহিত্যিক। ১৯৮৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়া রিতে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার ছালাভরা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। বর্তমানে শিক্ষক স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান রাফসানকে নিয়ে তাঁর সুখী ব্যক্তিগত জীবন।মূলত বাবার হঠাৎ মৃত্যু এবং শৈশবে অগ্রজদের সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত হয়ে লেখালেখির এই আগুনে হাত পোড়ানোর সুত্রপাত হয়েছে এবং তখন থেকেই লেখার পুঁজির ভান্ডার তিলতিল করে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিহ্নমেলা জীবনে স্থায়ী চিহ্ন এঁকে দিয়েছে,সেটাই এখন সংসারের রূপালি চাঁদ। পড়াশোনা দর্শনে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাত কোত্তর। অনুরাগের বিষয় গল্প বলা। আমাদের কাহি নি-সর্বস্ব কথাশিল্পের যুগে তিনি দার্শনিকতায় ঋদ্ধ একজন লেখক। বিনোদন এবং সময়ক্ষেপণ যে-সব কাহিনিভূক পাঠকের লক্ষ,তাদের পছন্দ হবে না রিপন আহসান ঋতুকে,তবে বোদ্ধা পাঠক এবং সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছেন। তার প্রকাশিত উপন্যাস ‘গল্পের মোড়কে মানুষ’ তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।গল্প,উপন্যাস,কবিতা ও প্রবন্ধ মিলিয়ে ইতোমধ্যে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৫টি। একটি উপন্যাস, দু’টি গল্পগ্রন্থসহ অন্যান্য বিষয়ে ০৫টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ‘ঠোঁট’ নামের একটি আদুরে ভাঁজপত্রও সম্পাদনা করেন।
রিপন আহসান ঋতু গভীর মমতা ও কৌতুহলের সঙ্গে পর্যবেক্ষন করেন নাগরিক মধ্যবিত্তের অন্তর্গত শূন্যতা। ফলে তাঁর গল্প উপন্যাসে জীবনের বয়ে চলা মূলত প্রান্তিক। সাধারণ মানুষের জীবন চর্চার অন্ত রালে যে বাসনা,আসক্তি আর উল্লাস থাকে সেসব নিয়েই তার গল্প উপন্যাস।তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে যাদুর নীল বেলুন,গল্পের মোড়কে মানু ষ,সংসার থেকে লুকিয়ে ইত্যাদি।লেখালেখির জন্য পেয়েছেন বামিহাল তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার-২০ ২২, ‘ফ্রেন্ডস পদক-২০১৯’, পাঠকপণ্য পাঠশালা পুরস্কার-২০১২।গুণী লেখক রিপন আহসান ঋতুর জন্মদিনে তার সুহৃদ বন্ধুরা শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়ে বিভিন্ন লেখা লিখেছেন।