নূর মোহাম্মদঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৫ নং লাহা রকান্দি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী চাঁদখালী এ রব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৮ শত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকি-ধমকি মুখে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে টানাহেঁচড়ার মধ্য বারবার বহিরাগত দের শিক্ষক হেনস্তায় আতংকে আছে ছাত্রছাত্রী,অভি ভাবক ও শিক্ষক মন্ডলী।সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে যানা যায়,সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শাহজাহান কামালের পুত্র ফা হিম কামাল চৌধুরী উপল বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পান।
তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর স্কুলের যায়গা জমিন সংক্রান্ত বিষয়ের সমাধান সহ অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রা খেন।কিন্তু তার এডহক কমিটির মেয়াদপূর্তি ও ভারপ্রা প্ত প্রধান শিক্ষকের অন্যত্র বদলির কারণে বিতর্কিত শিক্ষকদের অপতৎপরতা শুরু হয়।
জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মাহবুবুর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতা এবং তার বিতর্কিত কর্মকা ন্ডের কারনে অন্যন্য শিক্ষকরা নাখোশ।সামাজিক যো গাযোগ মাধ্যমে গাঁজা সেবন করে বিদ্যালয়ে এসেবুমি করা,ও ছাত্রীর সাথে অশ্লীল আচরণ করার কারনে তার বিরুদ্ধে সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগের মত গুরুতর অপরাধ করাসহ তার অসৌ জন্যমূলক আচরণে অতিষ্ঠ অন্যন্য শিক্ষকরা।অন্যদি কে আরেক সহকারী শিক্ষক ইসমাইল হোসেন শিক্ষক দের উপর খবরদারি, মহিলা শিক্ষককে শারীরিক ভাবে আঘাত করার ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এরমাঝে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের বিদ্যালয়ে এসে দায়িত্ব পাওয়া ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অরুন চন্দ্রকে হুমকি ধামকি করাসহ এলাকার সুযোগ সন্ধানীদের অপতৎ পরতায় ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির ৮ শত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আর মুষ্টিমেয় শিক্ষকদের কো ন্দলে প্রতিদিনই ঘটছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাঅভিভাবক সহ সচেতন মহল দুশ্চিন্তায় আছেশিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
এ বিষয়ে সদ্য সাবেক সভাপতি ফাহিম কামাল চৌধুরী উপল বলেন,আমার নিজের ইউনিয়ন বলে এলাকাবা সির অনুরোধে আমি বিদ্যালয়টির দায়িত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত জমে থাকা অনেক সমস্যার সমাধান করি।লুট পাটকারীদের লুটপাটে বাধা হওয়ায় তারা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে।অন্যদিকে শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আমিই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হই, কিন্তু দায়িত্ব থেকে দূরে রাখতে চক্রান্ত চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু তালেব বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ ধরনের বিশৃঙ্খলা চলতে থাকলে বিদ্যালয়টির ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়বে।