June 3, 2026, 5:14 pm
শিরোনামঃ
কালিয়াকৈরে ৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় চার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন কেন্দুয়ায় পৌর শহরে “চার বোন” ও তার “মা” জীবন হুমকির আতংকে, নিরাপত্তা চায় ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, মোটা অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার আসহাব উদ্দিন চৌধুরী’র মায়ের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২.০ সফল করতে শাহজা লাল বিমানবন্দর দখলে রাখার ঘোষণা গেরিলা বাহিনীর. আয়মান হোসেন অপু” দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা ঈদের জামাত ও ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় ডিএমপি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ডিএমপি কমিশনার ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আউটসোর্সিং সদস্যদের মাঝে পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে ঈদ উপহার পুনাকের সামগ্রী বিতরণ “ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার কর্তৃক বিভিন্ন থানা ও মহাসড়ক পরিদর্শন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ মডেল থানা পুলিশ
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ডিলার কৃষি দপ্তরের ধারণা দিয়েও মিলছে না- ডিএপি-সার-পটাশ।

মোঃ সিফাত রানা গোমস্তাপুর চাঁপাইনবয়াবগঞ্জ প্রতিনিধি।

চাঁপাইনবয়াবগঞ্জে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে পৌর এলাকার কৃষক আহসান হাবীব অভিযোগের সূরে বলেন, ‘গত ৭-৮ দিন ধরে সার ক্রয়ের জন্য সারের ডিলার ও উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেও সার পাইনি। ফলে আমার ৭ বিঘা জমির ধান চাষে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।’ একই অভিযোগ করেছেন কৃষক সাকিল আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আমার ১০ বিঘা জমির জন্য সার কিনতে ডিলারের কাছে গেলে পটাশ সার ৮০০ টাকার স্থলে ১০২০ টাকা চাওয়ায় ক্রয় করিনি। কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেছি। তেমন সাড়া পাইনি।’

বংপুর এলাকার কৃষক আরিফ আলী বলেন, ‘২৬ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করে বেকায়দায় রয়েছি। পটাশ সারের প্রয়োজন, অথচ কোথাও পাচ্ছি না। একেকজন একেক কথা বলছে।’ উপরোক্ত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় তাদের কাছে প্রশ্ন ছিল আপনারা সার পাচ্ছেন না? তার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেছেন কি?

জবাবে তারা বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গানিউল ও আব্দুর রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা বলেছেন, এখন সারের সঙ্কট রয়েছে। সার এলে সমস্যার সমাধান করা হবে। সবার জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েছে।’

এদিকে বেশকিছু সারের দোকান পরিদর্শন করে দেখা যায়, কিছু কিছু দোকানে সার রয়েছে। অথচ নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সার ডিলাররা বলেন, গোমস্তাপুর কৃষি অফিস থেকে স্লিপ আনলে ন্যায্যমূল্যে সার দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার কথা হয় গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভির আহমেদ সরকারের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘গোমস্তাপুর উপজেলায় ইউরিয়া সারের কোনো সঙ্কট নেই। তবে ডিএপি ও পটাশের কিছুটা সঙ্কট রয়েছে। সেটাও অল্প দিনের মধ্যেই কেটে যাবে। চলতি মাসে ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ছিল ১২শ মেট্রিক টন, উত্তোলন হয়েছে ১১৪৫ মেট্রিক টন। পটাশ বরাদ্দ ১৮৫ মেট্রিক টন, উত্তোলন করা হয়েছে ১৪৬.৪ মেট্রিক টন তিনি আরও জানান, চলতি মাসে সারের সঙ্কট কেটে যাবে। কৃষকদের অভিযোগ সার পাচ্ছে না-প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইউরিয়া ও ডিএপি সার জমিতে একটু দেরিতে হলেও প্রয়োগ করা যায়। কিন্তু পটাশ সারটি নির্দিষ্ট সময়েই দেওয়া দরকার।’

যদি কোনো কৃষকের সার পেতে সমস্যা হয়, তবে সেই কৃষককে তিনি কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন। সারের ডিলার কর্তৃক অতিরিক্ত দাম নেওয়ার বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রহনপুর বাজারের বিসিআইসির সার ডিলার মেসার্স সাইদুর রহমান ট্রেডার্সকে সারের অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার কারণে ইতোমধ্যে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’ এর পরও তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হচ্ছে না কেন? এমন প্রশ্নে তিনি সদুত্তর দেননি।



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST