September 1, 2026, 3:58 am
শিরোনামঃ
খিলক্ষেত যাত্রাবাড়ী তুরাগ ও বংশাল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৩৯ ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আনোয়ারা বেগমের পাশে সিটি প্রশাসক রোকন সরকারের পরিবারের মানবিক সহায়তা দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রাখা হচ্ছে : খাদ্যমন্ত্রী দুদকের অনুসন্ধান ও বিভাগীয় ম’মলা চলার মধ্যেই বিএসইসির দুই কর্মকর্তার পদোন্নতি পূর্বধলা সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব: হাফিজ-সুজন সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা শাহজাদপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির আলোচনা সভা সাংবাদিকতার আড়ালে চাঁদাবাজি: অনিবন্ধিত পোর্টাল ও ফেসবুক পেজের দৌরাত্ম্য বেগমগঞ্জে বিপুল পরিমান গাঁজাসহ এক নারী গ্রেপ্তার এম জি বাবর চকরিয়ায় বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট নোয়াখালী কর্তৃক অভিযান সাতশত পিস ইয়াবা সহ ০১ জন আসামি গ্রেফতার ডিবি
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

ধর্ষণ-নির্যাতনের বাস্তবতায় কবিতা লেখা ‘নৈতিক অপরাধ’—কবির মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক:২৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও সহিংসতার সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কবি Nazmul Tarek। তিনি বলেছেন, “যে দেশে ধর্ষণ ও অত্যাচার করে নারী এমনকি পেটের সন্তানকেও হত্যা করা হয়, সেই দেশে কবিতা লেখা একজন কবির জন্য মনস্তাত্ত্বিক মহাপাপ ও নৈতিক অপরাধ।”

সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে বর্তমান সমাজের ভয়াবহ বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ একে অতিরঞ্জিত ও হতাশাবাদী মন্তব্য বলেও সমালোচনা করেছেন।

কবি নাজমুল তারেকের মতে, সমাজে যখন মানবিকতা বিপর্যস্ত হয় এবং নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না, তখন শিল্প-সাহিত্য চর্চা অনেকাংশেই অর্থহীন হয়ে পড়ে। তার ভাষায়, “মানুষের মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সৌন্দর্যচর্চা বিলাসিতা মাত্র।”

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন মন্তব্য সমাজের গভীর সংকটকে সামনে নিয়ে আসে। তারা মনে করেন, শিল্প-সাহিত্য কখনো বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়; বরং অনেক সময় প্রতিবাদ ও সচেতনতা তৈরির শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেই কাজ করে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার একাধিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ বেড়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষাপটে কবির এমন মন্তব্য সমাজে নৈতিকতা, মানবিকতা এবং শিল্পের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
উপসংহার:

কবি Nazmul Tarek-এর বক্তব্য শুধু একটি ব্যক্তিগত মতামত নয়, বরং এটি বর্তমান সমাজের এক কঠিন বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি প্রশ্ন তুলছে—সংকটময় সময়ে শিল্প-সাহিত্য কি নীরব থাকবে, নাকি প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠবে?

খুলনা অফিস
০১৯৭০-১২৫০৬০



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST