July 24, 2026, 5:02 pm
শিরোনামঃ
বহুল প্রতিক্ষিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উদ্বোধন,স্বপ্নদ্রষ্টা এম আলাউদ্দিন উপেক্ষিত” জাজিরায় উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে মিঠু আকনকে চান একাংশের নেতাকর্মী কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নগরীর চিহ্নিত ৩ জন ছিনতাইকারী গ্রেফতার নিখোঁজ কিশোরের সন্ধান চায় পরিবার, শাহজাহানপুর থানায় জিডি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গোপালগঞ্জ আদালতের আলোচিত বিচারক মো. সুজন মিয়ার বদলি ডিবির অভিযানে ময়মনসিংহে বিদেশী মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। প্রাইভেটকার জব্দ নতুন বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে : ডেপুটি স্পিকার মিরপুর প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন সাংবাদিক আবুহেনা রাসেলের জানাজা অনুষ্ঠিত
নোটিশঃ
আপনার আশেপাশের ঘটে যাওয়া খবর এবং আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন মানবাধিকার খবরে।

১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২২

Reporter Name

রবিউল ইসলাম মেলান্দহ জামালপুর প্রতিনিধি  ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জামাল পুর বাসির প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও সকল শহীদ দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি, সৌজন্যে জনাব মির্জা আজম এমপি ও ঢাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি।

বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসের ইতিহাস
দিবসের ইতিহাস। ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সাম রিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। ঢাকায়় অজস্র সাধারণ নাগরিক,ছাত্র,শিক্ষক,বুদ্ধিজীবী,পুলিশ ও ই.পি.আর .-কে হত্যা করে এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচ নে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙালিদের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেফতারের পূর্বে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট,ইস্ট পাকি স্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবা হিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে অর্থনৈতিক,

সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে ডিসেম্ব রের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন তারা মুক্তিবাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াবার জন্য এবং মুক্তি যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক সংঘর্ষে পরিণত করার উদ্দে শ্যে ৩ ডিসেম্বর ভারতে বিমান হামলার মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

ডিসেম্বরের শুরুতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইতোমধ্যে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তারা ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। এরই মাধ্য



Our Like Page
Developed by: BD IT HOST